যেভাবে দ্বিতীয় দফায় করোনায় আক্রান্ত হলেন তিনজন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর
প্রকাশিত: ০৯:৩৫ পিএম, ০৭ এপ্রিল ২০২০

পুরো উপজেলা অবরুদ্ধ করে রেখেছে প্রশাসন। কঠোর নজরদারি পুলিশের। রাস্তাঘাট জনশূন্য। সর্বত্র নিস্তব্ধতা। সবার মনে ভয়, আতঙ্ক। দ্বিতীয় দফায় করোনার হানায় নির্বাক সবাই। উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিয়েছে সবার।

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ১৯ মার্চ মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা লকডাউন করে দেয় উপজেলা প্রশাসন। এরই মধ্যে কয়েকজন ইতালিফেরত করোনায় আক্রান্ত হন। তাদের সংস্পর্শে এসে পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হন। তাদের আইসোলেশন ওয়ার্ডে নেয়া হয়। সেখানে ইতালিফেরত এক যুবকের বাবার মৃত্যু হয়। এতে কিছুটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে শুরুর ধাক্কা সামলে নেয় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। করোনার সংক্রমণ না বাড়ায় আতঙ্ক কেটে যায়। এ পর্যন্ত জেলায় ১১ জন করোনায় আক্রান্ত হন। এর মধ্যে অনেকেই সুস্থ হয়ে ওঠেন। প্রথমবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে বিভিন্ন কাজে যোগ দেন অনেকেই।

বাড়ির সামনে মসজিদ। মসজিদে গিয়ে মুসল্লিদের সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছেন কেউ কেউ। রোগ-মুক্তির পর শোকরানা আদায় করতে মসজিদে গত ৩ মার্চ দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়। সেখানে আত্মীয়-স্বজন মিলে প্রায় ৬৫ জন দোয়ায় অংশ নেন।

কিন্তু এরই মধ্যে আসে দুঃসংবাদ। রোববার (০৫ এপ্রিল) শিবচর উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা তিনজনের শরীরে আবারও করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। তারা তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সেরে ওঠা ইতালিফেরত যুবকের সংস্পর্শে ছিলেন। দ্বিতীয়বার আক্রান্ত তিনজন ইতালিফেরত ওই যুবকের শ্বশুর-শাশুড়ি ও বন্ধু। গত ২৭ মার্চ ওই তিনজনকে আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে ছাড়পত্র দেয় মাদারীপুর সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপর আবার আক্রান্ত হলেন তারা।

দ্বিতীয়বার করোনা পজেটিভ আসায় ওই মসজিদ লকডাউন করে দেয়া হয়। এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় না করার অনেুরোধ করা হয়েছে। শিবচরে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত রোগী নয়জন। এরা দুই ইতালি প্রবাসী পরিবারের সদস্য। গত ২৪ মার্চ এদের মধ্যে এক ইতালি প্রবাসীর বাবা মারা যান। বাকি আটজনের সবাই একে একে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। শিবচর করোনা রোগী মুক্ত হয়। জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

Madaripur-Shibchar-2

কিন্তু ৫ এপ্রিল এদের মধ্যে তিনজন আবারও করোনায় আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে ভর্তি হন। পরদিন স্বাস্থ্য বিভাগ ওই দুই পরিবারের আরও তিনজনকে আইসোলেশনে পাঠান। তাদের সংস্পর্শে আসা অন্তত ৫০ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। এতে জনমনে নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি হলো।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শিবচর উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা তিনজনের শরীরে আবারও করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। পরে তাদের সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। রোববার দুপুরে তাদের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। আইসোলেশনে থাকা তিনজনের মধ্যে দুজন স্বামী-স্ত্রী। এরা ইতালি প্রবাসীর শ্বশুর-শাশুড়ি ও শিবচর উপজেলার পাঁচ্চর ইউনিয়নের হাজিপুরের বাসিন্দা। অপরজন একই উপজেলার বহেরাতলা ইউনিয়নের ইতালি প্রবাসীর বন্ধু।

জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, মাদারীপুর থেকে এ পর্যন্ত ৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। ৫০ জনের হোম কোয়ারেন্টাইন শেষ হয়েছে। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১৭০ জন। আইসোলেশনে আছেন চারজন। সর্বমোট হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন ১৪২৪ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক নারী জানিয়েছেন, প্রথম দফায় আমার স্বামীকে ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি করি। পরে আমাদের তিনজনকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে নেয়ার পর আমার স্বামীর কাছে একই রুমে রাখা হয়। সেখানে দুই সন্তানকে আলাদা রাখা হয়। রোগীর খাবারসহ জ্বর, সর্দি-কাশির ওষুধ দেয়া হতো আমাদের। বাইর থেকে কিছু দেয়ার সুযোগ ছিল না। চিকিৎসক ও নার্স নিরাপদ দূরত্বে থেকে আমাদের সঙ্গে কথা বলতেন। করোনায় আমার শ্বশুর মারা যাওয়ার পর ভয় পেয়ে যাই। গত রোববার থেকে আমার মা-বাবা দুজনই আইসোলেশনে আছেন। বড় বেশি দুশ্চিন্তা লাগছে।

করোনা আক্রান্ত শিবচরের ইতালি প্রবাসী বলেন, ইতালিতে একটি রুমে আমরা তিনজন থাকতাম। এ পর্যন্ত অপর দুজনের করোনা সংক্রমণ হয়নি। বিমানে আসার সময় হয়তো কারও সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হয়েছি আমি। বাড়ি আসার পর শাশুড়ি এসে আমার বাসায় দুদিন ছিলেন। পরে আমার শ্বশুর এসে তাকে নিয়ে যান। এতে আমার শ্বশুর আক্রান্ত হন। পরে শাশুড়িও আক্রান্ত হন।

তিনি বলেন, আমি এবং আমার স্ত্রী, দুই মেয়ে ১৮ দিন চিকিৎসাধীন ছিলাম। পরে সুস্থ হয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি আসি। কিন্তু এখন আবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হচ্ছে সব। কখন কি ফলাফল আসে জানি না। চারদিন ধরে বাড়ির সামনে পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। পুলিশ অনেক বড় দায়িত্ব পালন করছে। তবে এখন সুস্থ বলে মনে হচ্ছে আমাদের। কারণ করোনার উপসর্গ নেই। কিন্তু শ্বশুর-শাশুড়ি ও বন্ধুর জন্য খারাপ লাগছে। তারা মূলত আমার সংস্পর্শে এসেই করোনায় আক্রান্ত হলেন।

Madaripur-Shibchar-2

পাঁচ্চর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, ইতালি প্রবাসীর শ্বশুর করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে আইসোলেশন থেকে ফিরে স্বাভাবিকভাবে কাজকর্ম করেছেন। মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন। গত শনিবার মসজিদে দোয়া ও মিলাদ পড়ান। সেখানে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এতে মুসল্লিরা ঝুঁকিতে রয়েছেন। ছয়জনের বাড়ি লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নিত করে দিয়েছে প্রশাসন। আইসোলেশনে থাকা তিন ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা পরিবারের সদস্যসহ আশপাশের কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি টিম।

উত্তর বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অলিউল্লাহ খালাসি বলেন, জেলা প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনায় ইউনিয়নের প্রতিটি রাস্তাঘাটে ব্যারিকেড দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

শিবচর পৌরসভার মেয়র আওলাদ হোসেন খান বলেন, সুস্থ হয়ে আবার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় উপজেলাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দুপুর ২টার পর ওষুষের দোকান ছাড়া সব দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

মাদারীপুর জেলা পরিষদের সদস্য আয়শা সিদ্দিকা বলেন, শিবচরের ২৭ হাজার মানুষের মাঝে ২০০ মেট্রিক টন খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী ব্যক্তিগতভাবে ২৫০০ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন। পাশাপাশি জেলা পরিষদ, শিবচর পৌরসভা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগতভাবে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন। খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে যাতে করোনা সংক্রমণ না ছড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখা হয়েছে।

মাদারীপুরের সিভিল সার্জন শফিকুল ইসলাম বলেন, সুস্থ হয়ে আবার করোনায় আক্রান্ত তিনজনকে সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আরেক প্রবাসীসহ তিনজনকে আইসোলেশনে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মাহবুব হাসান বলেন, শিবচরের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ওষুধের দোকান ছাড়া সব দোকানপাট বন্ধ থাকছে।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিবচরকে আমরা লকডাউন ঘোষণা করেছি। সুস্থ হয়ে আবার করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে। সবাইকে ঘরে রাখতে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি আমরা। এতে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও মাদারীপুর-১ আসনের এমপি নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, এমন পরিস্থিতিতে সবাইকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। সবাইকে যার যার ঘরে থাকতে হবে। আমরা পর্যাপ্ত খাবার দেব। খাবারের অভাবে কোনো মানুষ কষ্ট পাবে না।

একেএম নাসির/এএম/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬১,৪৯,৭৫৯
আক্রান্ত

৩,৭০,৪৯৭
মৃত

২৭,২৯,৯১৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৪,৬০৮ ৬১০ ৯,৩৭৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮,১৬,১২২ ১,০৫,৫৪৮ ৫,৩০,৬৪৭
ব্রাজিল ৪,৯৮,৪৪০ ২৮,৮৩৪ ২,০৫,৩৭১
রাশিয়া ৩,৯৬,৫৭৫ ৪,৫৫৫ ১,৬৭,৪৬৯
স্পেন ২,৮৬,৩০৮ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৭২,৮২৬ ৩৮,৩৭৬ ৩৪৪
ইতালি ২,৩২,৬৬৪ ৩৩,৩৪০ ১,৫৫,৬৩৩
ফ্রান্স ১,৮৮,৬২৫ ২৮,৭৭১ ৬৮,২৬৮
জার্মানি ১,৮৩,২৯৪ ৮,৬০০ ১,৬৪,৯০০
১০ ভারত ১,৮১,৮২৭ ৫,১৮৫ ৮৬,৯৩৬
১১ তুরস্ক ১,৬৩,১০৩ ৪,৫১৫ ১,২৬,৯৮৪
১২ পেরু ১,৫৫,৬৭১ ৪,৩৭১ ৬৬,৪৪৭
১৩ ইরান ১,৪৮,৯৫০ ৭,৭৩৪ ১,১৬,৮২৭
১৪ চিলি ৯৪,৮৫৮ ৯৯৭ ৪০,৪৩১
১৫ কানাডা ৯০,১৬৬ ৭,০৭৩ ৪৮,০৬৫
১৬ মেক্সিকো ৮৪,৬২৭ ৯,৪১৫ ৫৯,৬১০
১৭ সৌদি আরব ৮৩,৩৮৪ ৪৮০ ৫৮,৮৮৩
১৮ চীন ৮২,৯৯৯ ৪,৬৩৪ ৭৮,৩০২
১৯ পাকিস্তান ৬৬,৪৫৭ ১,৩৯৫ ২৪,১৩১
২০ বেলজিয়াম ৫৮,১৮৬ ৯,৪৫৩ ১৫,৭৬৯
২১ কাতার ৫৫,২৬২ ৩৬ ২৫,৮৩৯
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৬,২৫৭ ৫,৯৫১ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৪১,৬৫৮ ২২৯ ১৭,৯৬৪
২৪ ইকুয়েডর ৩৮,৫৭১ ৩,৩৩৪ ১৯,১৯০
২৫ সুইডেন ৩৭,১১৩ ৪,৩৯৫ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৪,৩৬৬ ২৩ ২০,৭২৭
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৩,৮৯৬ ২৬২ ১৭,৫৪৬
২৮ পর্তুগাল ৩২,২০৩ ১,৩৯৬ ১৯,১৮৬
২৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০,৯৬৭ ৬৪৩ ১৬,১১৬
৩০ সুইজারল্যান্ড ৩০,৮৪৫ ১,৯১৯ ২৮,৪০০
৩১ কলম্বিয়া ২৮,২৩৬ ৮৯০ ৭,১২১
৩২ কুয়েত ২৬,১৯২ ২০৫ ১০,১৫৬
৩৩ ইন্দোনেশিয়া ২৫,৭৭৩ ১,৫৭৩ ৭,০১৫
৩৪ আয়ারল্যান্ড ২৪,৯২৯ ১,৬৫১ ২২,০৮৯
৩৫ পোল্যান্ড ২৩,৫৭১ ১,০৬১ ১১,০১৬
৩৬ মিসর ২৩,৪৪৯ ৯১৩ ৫,৬৯৩
৩৭ ইউক্রেন ২৩,২০৪ ৬৯৬ ৯,৩১১
৩৮ রোমানিয়া ১৯,১৩৩ ১,২৫৯ ১৩,০৪৬
৩৯ ফিলিপাইন ১৭,২২৪ ৯৫০ ৩,৮০৮
৪০ ইসরায়েল ১৭,০১২ ২৮৪ ১৪,৮১১
৪১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৬,৯০৮ ৪৯৮ ৯,৫৫৭
৪২ জাপান ১৬,৮০৪ ৮৮৬ ১৪,৪০৬
৪৩ অস্ট্রিয়া ১৬,৬৮৫ ৬৬৮ ১৫,৫২০
৪৪ আর্জেন্টিনা ১৬,২১৪ ৫২৮ ৪,৭৮৮
৪৫ আফগানিস্তান ১৪,৫২৫ ২৪৯ ১,৩০৩
৪৬ পানামা ১৩,০১৮ ৩৩০ ৯,৪১৪
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৬৩৩ ৫৭১ ১০,৩২৭
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৪৪১ ২৬৯ ১০,৩৯৮
৪৯ সার্বিয়া ১১,৩৮১ ২৪২ ৬,৬০৬
৫০ বাহরাইন ১০,৭৯৩ ১৭ ৫,৮২৬
৫১ ওমান ১০,৪২৩ ৪২ ২,৩৯৬
৫২ কাজাখস্তান ১০,৩৮২ ৪৮৯ ৫,২২০
৫৩ নাইজেরিয়া ৯,৮৫৫ ২৭৩ ২,৮৫৬
৫৪ আলজেরিয়া ৯,২৬৭ ৬৪৬ ৫,৫৪৯
৫৫ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,২৩০ ৩১৯ ৬,৫৪৬
৫৬ আর্মেনিয়া ৮,৯২৭ ১২৭ ৩,৩১৭
৫৭ বলিভিয়া ৮,৭৩১ ৩০০ ৭৪৯
৫৮ নরওয়ে ৮,৪৩৭ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৯ মলদোভা ৮,০৯৮ ২৯১ ৪,৪৫৫
৬০ মরক্কো ৭,৭৮০ ২০৪ ৫,৪০১
৬১ ঘানা ৭,৭৬৮ ৩৫ ২,৫৪০
৬২ মালয়েশিয়া ৭,৭৬২ ১১৫ ৬,৩৩০
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৮৫ ১০৩ ৬,৬০৬
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৮২৬ ৩১৬ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৬,১৭৯ ১৯৫ ৩,১১০
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৯০৪ ১৯১ ৩,৫৬৮
৬৭ আজারবাইজান ৫,২৪৬ ৬১ ৩,৩২৭
৬৮ হন্ডুরাস ৪,৮৮৬ ১৯৯ ৫২৮
৬৯ সুদান ৪,৮০০ ২৬২ ১,২৭২
৭০ গুয়াতেমালা ৪,৬০৭ ৯০ ৬৪৮
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০১৬ ১১০ ৩,৮১৫
৭২ হাঙ্গেরি ৩,৮৬৭ ৫২৪ ২,১৪২
৭৩ তাজিকিস্তান ৩,৮০৭ ৪৭ ১,৮৬৫
৭৪ গিনি ৩,৭০৬ ২৩ ২,০৩০
৭৫ উজবেকিস্তান ৩,৫৪৬ ১৪ ২,৭৮৩
৭৬ সেনেগাল ৩,৫৩৫ ৪২ ১,৭৬১
৭৭ জিবুতি ৩,১৯৪ ২২ ১,২৮৬
৭৮ থাইল্যান্ড ৩,০৭৭ ৫৭ ২,৯৬১
৭৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,৯৬৬ ৬৯ ৪২৮
৮০ গ্রীস ২,৯১৫ ১৭৫ ১,৩৭৪
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৭৯৯ ৩৩ ১,৩৮৫
৮২ গ্যাবন ২,৬৫৫ ১৭ ৭২২
৮৩ বুলগেরিয়া ২,৪৯৯ ১৩৯ ১,০৬৪
৮৪ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৯৪ ১৫৩ ১,৮৩১
৮৫ এল সালভাদর ২,৩৯৫ ৪৪ ১,০২৬
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৬ ১০৩ ২,০৬৩
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,১৬৪ ১৩১ ১,৫৩৫
৮৮ কিউবা ২,০২৫ ৮৩ ১,৭৯৫
৮৯ সোমালিয়া ১,৯১৬ ৭৩ ৩২৭
৯০ কেনিয়া ১,৮৮৮ ৬৩ ৪৬৪
৯১ এস্তোনিয়া ১,৮৬৫ ৬৭ ১,৬২২
৯২ আইসল্যান্ড ১,৮০৬ ১০ ১,৭৯৪
৯৩ কিরগিজস্তান ১,৭২২ ১৬ ১,১১৩
৯৪ মায়োত্তে ১,৬৯৯ ২১ ১,৩৮৫
৯৫ মালদ্বীপ ১,৬৭২ ৪০৬
৯৬ লিথুনিয়া ১,৬৭০ ৭০ ১,২২৯
৯৭ শ্রীলংকা ১,৬১৩ ১০ ৭৮১
৯৮ হাইতি ১,৫৮৪ ৩৫ ২৯
৯৯ স্লোভাকিয়া ১,৫২১ ২৮ ১,৩৫৬
১০০ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০১ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৭
১০২ ভেনেজুয়েলা ১,৪৫৯ ১৬ ৩০২
১০৩ নেপাল ১,৪০১ ২১৯
১০৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,৩০৬ ১২ ২০০
১০৫ গিনি বিসাউ ১,২৫৬ ৪২
১০৬ মালি ১,২৫০ ৭৬ ৬৯৬
১০৭ লেবানন ১,১৯১ ২৬ ৭০৮
১০৮ আলবেনিয়া ১,১২২ ৩৩ ৮৫৭
১০৯ হংকং ১,০৮৩ ১,০৩৬
১১০ তিউনিশিয়া ১,০৭৬ ৪৮ ৯৫০
১১১ লাটভিয়া ১,০৬৫ ২৪ ৭৪৫
১১২ ইথিওপিয়া ১,০৬৩ ২০৮
১১৩ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১৪ কোস্টারিকা ১,০৪৭ ১০ ৬৫৮
১১৫ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৬ প্যারাগুয়ে ৯৬৪ ১১ ৪৬৬
১১৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৯৬২ ২৩
১১৮ নাইজার ৯৫৬ ৬৪ ৮১৮
১১৯ সাইপ্রাস ৯৪৪ ১৭ ৭৯০
১২০ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৮২
১২১ সিয়েরা লিওন ৮৫২ ৪৬ ৪১৫
১২২ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭২০
১২৩ এনডোরা ৭৬৪ ৫১ ৬৯২
১২৪ চাদ ৭৫৯ ৬৫ ৪৭০
১২৫ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৬ মাদাগাস্কার ৭৫৮ ১৬৫
১২৭ জর্জিয়া ৭৫৭ ১২ ৬০০
১২৮ জর্ডান ৭৩৪ ৫৮৬
১২৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৩০ সান ম্যারিনো ৬৭১ ৪২ ৩৫৭
১৩১ মালটা ৬১৮ ৫২৫
১৩২ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৬৮
১৩৩ জ্যামাইকা ৫৭৫ ২৮৯
১৩৪ কঙ্গো ৫৭১ ১৯ ১৬১
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫২৫
১৩৬ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৭ মৌরিতানিয়া ৪৮৩ ২০ ২১
১৩৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৭৭ ১৮৫
১৩৯ রিইউনিয়ন ৪৭১ ৪১১
১৪০ তাইওয়ান ৪৪২ ৪২১
১৪১ টোগো ৪৩৩ ১৩ ২০৬
১৪২ কেপ ভার্দে ৪২১ ১৬৭
১৪৩ উগান্ডা ৪১৩ ৭২
১৪৪ রুয়ান্ডা ৩৫৯ ২৫০
১৪৫ বেনিন ৩৩৯ ১৩৬
১৪৬ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৯
১৪৭ মরিশাস ৩৩৫ ১০ ৩২২
১৪৮ ভিয়েতনাম ৩২৮ ২৭৯
১৪৯ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৫০ ইয়েমেন ৩১০ ৭৭ ১৩
১৫১ ইসওয়াতিনি ২৮৩ ১৬৮
১৫২ লাইবেরিয়া ২৮০ ২৭ ১৪৮
১৫৩ মালাউই ২৭৯ ৪২
১৫৪ মোজাম্বিক ২৪৪ ৯০
১৫৫ মায়ানমার ২২৪ ১৩০
১৫৬ মার্টিনিক ২০০ ১৪ ৯৮
১৫৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৭৯ ৪৪
১৫৯ জিম্বাবুয়ে ১৭৪ ২৯
১৬০ জিব্রাল্টার ১৬৯ ১৪৯
১৬১ গুয়াদেলৌপ ১৬২ ১৪ ১৩৮
১৬২ গায়ানা ১৫০ ১২ ৬৭
১৬৩ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৪ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪১ ৬৮
১৬৫ বারমুডা ১৪০ ৯২
১৬৬ লিবিয়া ১৩০ ৫০
১৬৭ কম্বোডিয়া ১২৫ ১২৩
১৬৮ সিরিয়া ১২২ ৪৩
১৬৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৭০ কমোরস ১০৬ ২৬
১৭১ বাহামা ১০২ ১১ ৪৮
১৭২ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭৩ মোনাকো ৯৯ ৯০
১৭৪ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৫ অ্যাঙ্গোলা ৮৪ ১৮
১৭৬ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৭ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৮ বুরুন্ডি ৬৩ ৩৩
১৭৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৮০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮১ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪১ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৫ ভুটান ৩৩
১৮৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৬ ১৫
১৮৭ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ২০
১৮৯ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯০ নামিবিয়া ২৩ ১৪
১৯১ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৯ ১৮
১৯৩ কিউরাসাও ১৯ ১৪
১৯৪ লাওস ১৯ ১৬
১৯৫ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৬ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০২ সুরিনাম ১২
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।