হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে গিয়ে ভেজাল ‘ট্যাং’ কারখানার সন্ধান
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই গ্রামে বিশ্ববিখ্যাত পাউডার ড্রিংক ব্র্যান্ড ‘ট্যাং’ এর নাম ব্যবহার করে ভেজাল সফট ড্রিংক তৈরির কারখানা সিলগালা করে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পঙ্কজ বড়ুয়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ ও চলমান লকডাউনে গণজমায়েতরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছিলেন। এসময় তিনি খবর পান নাটাই গ্রামের একটি কারখানায় ট্যাংসহ বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে ভেজাল সফ্ট ড্রিংক পাউডার তৈরি করা হচ্ছে।
পরবর্তীতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পঙ্কজ বড়ুয়া সেখানে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন ছাড়া ক্ষতিকারক উপাদান দিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সফ্ট ড্রিংক পাউডার তৈরির দায়ে কারখানাটি সিলগালা করে দেয়ার পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার আইনে কারখানা মালিক মো. শাহিনুরকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

অভিযান চলাকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সন্দ্বীপ তালুকদার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুনু সহাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য জানান, কারখানা মালিক শাহিনুর ১০ হাজার টাকায় বাসাটি ভাড়া নিয়ে সেটিকে কারখানা বানিয়ে ভেজাল সফ্ট ড্রিংক পাউডার তৈরি করে আসছিলেন। তার এ ড্রিংক পাউডার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাড়াও কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাজারজাত করা হয়। ওই কারখানায় কোনো ল্যাব-টেকনিশিয়ান কিছুই নেই।
আজিজুল সঞ্চয়/এমএএস/এমএস