সাহেদকে ধরতে মৌলভীবাজারে অভিযান

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মৌলভীবাজার
প্রকাশিত: ০১:০৭ এএম, ১৪ জুলাই ২০২০

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা কেলেঙ্কারির হোতা রিজেন্ট হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম মৌলভীবাজারে অবস্থান করছেন।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর সীমান্ত দিয়ে তিনি ভারতে পালিয়ে যেতে পারেন এমন আশঙ্কা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সোমবার (১৩ জুলাই) জেলার ভেতরে সাহেদের অবস্থান বুঝতে পারায় তার খোঁজে জেলাজুড়ে তল্লাশি চালায় র‍্যাব ও পুলিশ। তবে সাহেদের খোঁজ মেলেনি। জেলার সব সীমান্ত, রিসোর্ট, হোটেল মোটেলেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

গোপন সূত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খবর পায় কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন সাহেদ। এ খবর পাওয়া মাত্র ওই এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে নজরদারি শুরু করে র‍্যাব ও পুলিশ।

সোমবার বিকেল ৫টা থেকে ভারতের ত্রিপুরাগামী মৌলভীবাজার-চাতলাপুর সড়কের শমশেরনগর চৌমুহনী চত্বর ও লাউয়াছড়া সড়কের ফুলবাড়ি এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়।

তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি র‍্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর আহমেদ নোমান জাকি। তিনি বলেন, এই রকম কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। এমনকি আমাদের টিম অভিযানে নেই। হয়তো র‍্যাবের হেড অফিসের কোনো ইউনিট অভিযানে অংশ নিয়েছে।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ থেকে তাদের জানানো হয়েছে রিজেন্ট হাসপাতালের করোনা কেলেঙ্কারির হোতা সাহেদ মৌলভীবাজারের সীমান্তপথে ভারতের ত্রিপুরা যেতে পারেন। তাই সতর্কতাস্বরূপ যানবাহন তল্লাশি করছে পুলিশ। একই সঙ্গে বিকেল থেকে শমশেরনগর ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ অরুপ কুমার চৌধুরী বলেন, সাহেদ এখানেই আছেন এমন নির্দিষ্ট তথ্য আমাদের কাছে নেই। যেহেতু সীমান্ত এলাকা তাই এখান দিয়ে পালানোর চেষ্টা করতে পারেন তিনি; এমনটি জানানোর পরই আমরা সতর্কতা অবলম্বন করেছি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, সাহেদকে ধরতে গোপনে অভিযান চলছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ এবং শ্রীমঙ্গলে। এটিও কেউ নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি। তবে সীমান্ত এলাকায় সতর্ক রয়েছে পুলিশ।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ বলেন, সাহেদ এখন মৌলভীবাজারেই আছে- এই রকম সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য আমরা পাইনি। তবে আমরা সতর্ক আছি। এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

 

রিপন দে/এএম/এমআরএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]