সাজাপ্রাপ্ত হয়েও পুলিশের খাতায় পলাতক ছিলেন সাহেদ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: ১০:১০ পিএম, ১৪ জুলাই ২০২০

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা কেলেঙ্কারির হোতা রিজেন্ট হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে খুঁজছে সাতক্ষীরা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিনব্যাপী সাহেদকে ধরতে একযোগে অভিযান চালিয়েছে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ। তবে হদিস মেলেনি সাহেদের। এছাড়া সাহেদের বিরুদ্ধে ঢাকা কোর্টের একটি সিআর মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে সাতক্ষীরা থানায়। ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাহেদ। তবে তিনি এতদিন পুলিশের খাতায় পলাতক ছিলেন।

সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতারক সাহেদের বিরুদ্ধে ঢাকা আদালতের একটি সিআর মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে সাতক্ষীরা থানায়। ঢাকার যুগ্ম জজ ১ম আদালতের সিআর ১৪৮৮ নম্বর মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি প্রতারক সাহেদ। গত তিন বছর ধরে পরোয়ানা পড়ে থাকলেও সাহেদ সাতক্ষীরায় আসে না। তাকে ধরতে দিনব্যাপী অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তবে এখনও তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, সিআর মামলায় কতদিন বা কত বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাহেদ সেটি ওয়ারেন্টে উল্লেখ নেই। মামলার বাদী কে বা কি মামলায় সাহেদ সাজাপ্রাপ্ত সে ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারেননি ওসি। তবে তিনি বলেন, বিস্তারিত তথ্যের জন্য ঢাকা আদালতে যোগাযোগ করতে হবে।

এদিকে, সাতক্ষীরা সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সাহেদকে ধরতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাহেদ যেন কোনোভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যেতে না পারেন সে লক্ষ্যে কাজ করছে পুলিশ।

ভোমরা বন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশে আমরা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছি। সীমান্ত দিয়ে বৈধভাবে এখন ভারতে যাওয়ার সুযোগ নেই। চোরাই পথেও যেন সাহেদ কোনোভাবে দেশের সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে যেতে না পারেন সেজন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছি।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মহিউদ্দিন খন্দকার বলেন, শুধু সাহেদ নয়; যে কেউ সীমান্ত দিয়ে পার হওয়ার চেষ্টা করলে আটক করা হবে। সাতক্ষীরার সীমান্তগুলোতে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে।

আকরামুল ইসলাম/এএম/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।