যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন ইউনিয়ন পরিষদ ভবন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর
প্রকাশিত: ০৯:৫২ পিএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আবারও শুরু হয়েছে পদ্মায় ভাঙন। ভাঙনের কবলে পড়েছে মাদারীপুরের শিবচরের বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদ। একই সঙ্গে ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক ও কাজিরসুরা বাজার। ভাঙনে ইতোমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পিলারসহ কিছু অংশ নদীতে চলে গেছে। সরিয়ে নেয়া হয়েছে মালামাল।

Shibchar1

কয়েক বছর আগেও ভবনটি নদী থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে ছিল। পাশে একটি কমিউনিটি ক্লিনিক ও কাজিরসুরা বাজারের অর্ধশতাধিক দোকানপাটসহ বিস্তীর্ণ জনপদ এখন ভয়াবহ ভাঙন ঝুঁকিতে। দুই বছর ধরে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে।

Shibchar1

নদীভাঙনে শিবচরের চরাঞ্চলের চার বিদ্যালয় নদীতে বিলীন হয়ে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। চলতি বন্যায় চরের বন্দরখোলা ইউনিয়নের নুরুদ্দিন মাদবরকান্দি এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবন, চরজানাজাত ইউনিয়নের ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের একাধিক স্থাপনা ও ইউনিয়ন পরিষদ, কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের ৭৭ নম্বর কাঁঠালবাড়ি সরকারি বিদ্যালয় নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নদীগর্ভে চলে গেছে সহস্রাধিক ঘরবাড়ি।

বন্দরখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন, পদ্মার ভাঙনে এর আগে বন্দরখোলা ইউনিয়নের একটি উচ্চ বিদ্যালয় ও কাজিরসুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ভবনও ভাঙনের মুখে। কমিউনিটি ক্লিনিক ও কাজিরসুরা বাজার ভাঙনের মুখে। যেকোনো সময় ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

Shibchar1

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এ বছর বন্যার পানি বেড়েছে। দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কারণে ভাঙন বেড়েছে।

এ কে এম নাসিরুল হক/এএম/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]