আড়াইশ বছরের বটগাছটি বাঁচানোর দাবি এলাকাবাসীর

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি শরীয়তপুর
প্রকাশিত: ০৯:৫২ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দী ইউনিয়নের ৫০ নং চিকন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন তৈরির জন্য ঠিকাদার কাটতে ছিলেন আড়াইশ বছরের পুরোনো বটগাছ। কিন্তু স্থানীয়দের বাধায় বেঁচে যায় বটগাছটি।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে চিকন্দীর সচেতন নাগরিক সমাজ। পরে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা।

এ সময় অ্যাডভোকেট রুবায়েদ আনোয়ার মনির, অ্যাডভোকেট জালাল আহমেদ সবুজ, অ্যাডভোকেট মেহেদী মান্নান হামিদী, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান পিন্টু, অ্যাডভোকেট সরোয়ার হোসেন সিপাহী, মিলন মাদবর, রায়হান ঢালী, জয়নাল মাদবর, জাকির হোসেন, হেমায়েত হোসেন রুবেল, আবুল বাসার, চিকন্দী ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সরদারসহ চিকন্দীর সচেতন নাগরিক সমাজের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, চিকন্দীর ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ চিকন্দী শরফ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আগ থেকেই এখানে একটি বটগাছের নিচে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলতো। বটগাছটি চিকন্দীর ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। কিন্তু সম্প্রতি ওই স্থানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারতলা ভবন নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষ বটগাছটি কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে; যা খুবই দুঃখজনক ও হৃদয়বিদারক। আমরা আশা করি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বটগাছটি রক্ষা করবে।

৫০ নং চিকন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল হক ও স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক নুর হোসেন মিয়া বলেন, বটগাছটি থাক আমরাও চাই। বটগাছের শিকড়গুলো কেটে ফেলেছে ঠিকাদারের লোকজন।

ঠিকাদার মজিবুর রহমান মোল্লা বলেন, ৫০ নং চিকন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন চারতলা ভবনের একতলার কাজ করছি আমি। প্রায় ৮৯ লাখ টাকার কাজ। পুরোনো স্কুল ভবন সোজা করে বটগাছ কেটে নতুন ভবন করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে এলজিইডির ইঞ্জিনিয়ার ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মো. ছগির হোসেন/এএম/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]