বন্যার পানিতে ভেঙে গেল কালভার্ট, ভোগান্তিতে ৩০ গ্রামের মানুষ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ০৮:১৬ পিএম, ০১ অক্টোবর ২০২০

টাঙ্গাইলের বাসাইলে বন্যার পানির প্রবল স্রোতে একটি কালভার্ট ভেঙে গেছে। এতে তিন উপজেলার প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে বাসাইল পৌর শহরের দক্ষিণপাড়া গারামাড়া বিল সংলগ্ন বাসাইল-নাটিয়াপাড়া সড়কে অবস্থিত কালভার্টটি ভেঙে যায়।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার সর্বত্রই পুনরায় বন্যার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রভাবে বিভিন্ন এলাকার সড়ক ডুবে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও পানির স্রোতে বাঁশের তৈরি সাঁকোগুলোও ভেসে যাচ্ছে। গাড়ামাড়া বিলে পানি বৃদ্ধির কারণে বাসাইল-নাটিয়াপাড়া সড়কের ওই কালভার্টের নিচ দিয়ে প্রবল স্রোতের সৃষ্টি হয় এবং বৃহস্পতিবার সকালে এটি হঠাৎ করে ভেঙে যায়।

এই সড়ক দিয়ে বাসাইল উপজেলার আদাজান, কাঞ্চনপুর, বিলপাড়া, বালিনা, ভোরপাড়া, হাবলা, মির্জাপুর উপজেলার কুর্নী, ফতেপুর, পাটখাগুড়ী, মহেড়া, ভাতকুড়া, আদাবাড়ি এবং দেলদুয়ার উপজেলার নাটিয়াপাড়া, বর্নীসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করতো। কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ার কারণে এসব এলাকার মানুষের বাসাইল সদরের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে।

jagonews24

বাসাইলের মাখন সুপার মার্কেটের প্রিন্স ট্রেইলার্সের মালিক সোলায়মান মিয়া বলেন, এই রাস্তায় বাসাইলের বড় ব্যবসায়ীরা ঢাকা থেকে মালামাল আনা-নেয়া করেন। কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ায় আমাদের সময় এবং খরচ দুটোই বেড়ে যাবে। অতিদ্রুত আমরা এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি করছি।

এ প্রসঙ্গে বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী রোজদিদ আহমেদ বলেন, ১৯৯৫ সালে এলজিইডি পাঁচ লাখ টাকা ব্যয়ে সাড়ে চার মিটারের এই কালভার্টটি নির্মাণ করে। আগেই এই কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। পানি বৃদ্ধির ফলে আর প্রবল স্রোতের কারণে এবার এটি ভেঙে গেছে। আমরা ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। এখানে ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

আরিফ উর রহমান টগর/আরএআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]