আমনের দাম কম, হতাশ চাষি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নওগাঁ
প্রকাশিত: ০২:৩৮ পিএম, ২৭ নভেম্বর ২০২০
ছবি : সংগৃহীত

নওগাঁ জেলায় এবার আমনের বাম্পার ফলন হলেও চাষিদের মুখে হাসি নেই। উৎপাদিত ধানের বাজারদর কমে গেছে। এ নিয়ে হতাশ চাষিরা।

শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলায় সতীহাট ধানের সরবরাহ বাড়লেও ক্রেতা কম ছিল। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে সব ধানের দাম মণ প্রতি ১০০-১৫০ টাকা কমেছে। গত ১৫-২০ দিন আগেও ধানের দাম বেশি ছিল। কিন্তু হঠাৎ দাম কমে যাওয়ায় কৃষকরা হতভম্ব হয়ে পড়েছেন।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় এক লাখ ৯১ হাজার সাতশ হেক্টর জমিতে আমন উৎপাদন হয়েছে।

উত্তরাঞ্চলের শষ্য ভাণ্ডারখ্যাত জেলা নওগাঁয় বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির উপর নির্ভর করে আমন চাষাবাদ। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। ধানে পোকার আক্রমণ থাকলেও তেমন ক্ষতি হয়নি। ধান কাটা ও মাড়াই প্রায় শেষের দিকে।

এদিকে ডিসেম্বর এ এলাকায় হালখাতার সময়। তাই বকেয়া পরিশোধের জন্য বাজারে ধানের আমদানি বেড়েছে। আমদানি বেশি হওয়ায় আগ্রহ কমেছে ক্রেতাদের। এ কারণে বাজারে ধানের দাম কমেছে।

স্থানীয় কৃষকরা বলেন, গত ১৫ দিন আগে স্বর্ণা-৫ ধানের দাম ছিল ১১৫০ টাকা মণ, আর গুটি স্বর্ণা ছিল ১০৫০ টাকা। মান্দার সতীহাটসহ অন্যান্য হাটে সেই স্বর্ণা-৫ ধানের দাম কমে হয়েছে এক হাজার থেকে ১০৫০ টাকা এবং গুটি স্বর্ণার দাম কমে হয়েছে এক হাজার টাকা।

সতীহাটের ধানের আড়তদাররা বলেন, বাজারে আমদানি বেশি এবং চালকল মালিকরা ধান কেনা কমিয়ে দেয়ায় দাম কমেছে।

আব্বাস আলী/এসএমএম/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]