রোহিঙ্গাদের জন্মসনদ প্রদান: শ্রীঘরে সাবেক প্যানেল মেয়র

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৭:১৯ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২১

সুনামগঞ্জে রোহিঙ্গাদের জন্মসনদ দেয়ার অভিযোগে আটক সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর (প্যানেল মেয়র) হোসেন আহমদ রাসেলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সুনামগঞ্জ জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কুদরত-এ-ইলাহীর আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন চাইলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সুনামগঞ্জ কোর্ট ইন্সটেক্টর সেলিম নেওয়াজ জানান, এ মামলার পলাতক আসামি হোসেন আহমদ রাসেল সোমবার স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে জামিন চাইলে আদালত না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত বুধবার (২০ জানুয়ারি) দুই রোহিঙ্গা নাগরিককে জন্মসনদ দেয়ার মামলায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, প্যানেল মেয়র হোসেন আহমদ রাসেল, সহকারী কর আদায়কারী পিযুষ কান্তি তালুকদার, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধক ও স্যানিটারী পরিদর্শক মো. সেলিম উদ্দিন ও জেলা আইনজীবি সমিতির সদস্য কাওসার আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরদিন বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) আদালত থেকে জামিন নেন পৌর মেয়র নাদের বখ্ত ও আইনজীবি কাওসার আলম।

এর আগে ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে সুনামগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট কার্যালয়ে আসেন দুই রোহিঙ্গা। তারা টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে চার ব্যক্তির সহযোগিতায় সুনামগঞ্জে আসেন। ওই দিন সকালে পাসপোর্ট তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন। বিকেলে ছবি তোলা ও আঙ্গুলের ছাপ দিতে গেলে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে দুই রোহিঙ্গা ও তাদের সহযোগি চার ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দেন কর্মকর্তারা।

ওই দিনই প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার তেরানগর গ্রামের চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে পুলিশ।

এরআগে ওই দুই রোহিঙ্গা সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আলীপাড়া এলাকার বর্তমান বাসিন্দা হিসেবে স্থানীয় কাউন্সিলর হোসেন আহমদ রাসেলের সুপারিশে পৌরসভা থেকে জন্ম সনদ নিয়েছিলেন। পরে সেটি সত্যায়ন করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য কাওসার আলম।

এই মামলায় গত বছরের ২০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এতে এজহারভুক্ত চার আসামি ছাড়াও অভিযুক্তদের তালিকায় এ পাঁচজনের নাম যুক্ত করে পুলিশ।

লিপসন আহমেদ/আরএইচ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]