সৌদি যাওয়া হলো না সালমানের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৫:১৭ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১

প্রায় তিনবছর ধরে এনা পরিবহনে সুপারভাইজার পদে নিয়োজিত ছিলেন সালমান খান (২৭)। সেই আয়ের টাকায় সংসার চালানোর পাশাপাশি সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য টাকা জমিয়ে রাখতেন তিনি। তবে সৌদি আরবে যাওয়ার স্বপ্ন সত্যি হওয়ার খুব কাছে এসেই মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন সালমান।

গতকাল শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রশিদপুর এলাকায় এনা পরিবহন ও লন্ডন এক্সপ্রেসের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত আটজনের মধ্যে তিনিও একজন।

জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের মিঠাভরাং গ্রামের বাড়িতে তার মরদেহ পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। সালমানের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ওইদিন বিকেলেই সালমানের জানাজা নামাজ শেষে গ্রামের পঞ্চায়িতী কবরস্থানে সালমানের দাফন সম্পন্ন হয়।

নিহতের স্বজনরা জানান, মিঠাভরাং গ্রামের আলিউর রহমান খানের ছেলে সালমান খান শুক্রবার ভোরে এনা পরিবহনের বাসে সিলেট থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার রশিদপুর এলাকায় বাসটি পৌঁছানো মাত্র বিপরীত দিক থেকে আসা লন্ডন এক্সপ্রেসের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে সালমান নিহত হন।

নিহত সালমান খানের চাচাতো ভাই আব্দুস সামাদ খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘এনা পরিবহনে আমার চাচাতো ভাই সালমান কাজ করতো। সম্প্রতি সৌদিআরবে যাওয়ার জন্য তার প্রস্তুতি চলছিল। সালমানের অকাল মৃত্যুতে পরিবারের লোকজনসহ আমরা শোকে মুহ্যমান।’

লিপসন আহমেদ/এসজে/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]