উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় স্কুলছাত্রীসহ মা-ভাইকে মারধর

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ১০:১২ পিএম, ১২ এপ্রিল ২০২১

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় স্কুলছাত্রীসহ মা ও ভাইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে ওই ছাত্রীর বাবা মো. জামাল হাসান মিয়া বোয়ালমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বোয়ালমারী উপজেলার স্কুলছাত্রী (১৪) নিয়মিত শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। পথে মধ্যে ময়না গ্রামের মিকাইলের ছেলে মো. হোসেন প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতো। শনিবার বাড়ির সামনে গিয়েও উত্ত্যক্ত করতে থাকলে মেয়ের মা এর প্রতিবাদ করেন।

প্রতিবাদ করায় মো. হোসেন (২৫), মো. মিকাইল (৫২), মো. আশরাফ মোল্যা (৩৫) ও মো. মিঠুন মোল্যাসহ (২৭) অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জন সংঘবদ্ধভাবে বাড়ির পাশে ওই ছাত্রী, তার মা ও ভাইকে মারধর করে। তাদের চিৎকার শুনে গ্রামের আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

ছাত্রীর বাবা জামাল হোসেন বলেন, ‘আমার মেয়ে খুবই মেধাবী। পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পেয়েছে। নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছে। তাই তাকে তিনটা প্রাইভেট পড়তে যেতে হয়। কিন্তু ছেলেরা যেভাবে বিরক্ত করা শুরু করেছে হয়তো মেয়ের লেখাপড়া বন্ধ করা ছাড়া উপায় থাকবে না।’

সত্যতা স্বীকার করে বোয়ালমারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হাফিজুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি কয়েকবার ওই এলাকায় অভিযান চালিয়েছেন আসামিদের ধরার জন্য। পুলিশি অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে আসামিরা মধুমতি ব্রিজ পার হয়ে পাশের মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলায় পালিয়ে যায়। যেহেতু ইভটিজিংয়ের বিষয় সেজন্য আসামি ধরতে পারলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা বা নিয়মিত মামলা দেয়ার ব্যবস্থা করা যেত।

এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছেন বলেও জানান তিনি।

সোমবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ময়না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির মো. সেলিম বলেন, ‘ওই ছেলে ও তার সঙ্গের লোকজন বখাটে টাইপের। তিনি চেয়েছিলেন দু’পক্ষকে নিয়ে বসে একটা মীমাংসা করে দেবেন।

এসজে/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]