‘ছবি তুলতে গেলেই বলেন এবার ত্রাণ পাবো’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ০৭:৫২ পিএম, ৩০ এপ্রিল ২০২১

আনোয়ারা বেগম। বয়স ৪০। পনের বছর ধরে চায়ের দোকান করেন।কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পর পরিবার নিয়ে পড়েছেন বিপদে।দোকান খুলতে না পারায় বন্ধ রয়েছে আয়-রোজগার।তাই পরিবার চালাতে নিরুপায় হয়ে কিছু ফল নিয়ে রাস্তার বসেছেন।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় শহরের পিডিএস মাঠ সংলগ্ন রাস্তার পাশে কিছু কলা একটি টেবিলে হালি করে সাজিয়ে রাখতে দেখা যায় আনোয়ারাকে। সঙ্গে ছোট সাইজের কিছু তরমুজও।ঘণ্টাখানেক সেখানে অপেক্ষা করেও কোনো ক্রেতার দেখা মেলেনি। কৌতুহলবশত ছবি তুলতে গেলে আনোয়ারা বলেন ত্রাণ দিবেন বুঝি।

jagonews24

আনোয়ারা জানান, ১৭ বছর আগে বিয়ের পর পরিবারে এখন পাঁচ সদস্য।বড় ছেলের বয়স ১৫ বছর। লকডাউনের আগে চায়ের দোকান দিয়ে ভালোই চলত সংসার। দিনে ৫-৬শ টাকা আয় হতো।কিন্তু লকডাউন ও রমজানে চায়ের দোকান বন্ধ। আগে স্বামী টুকটাক কাজ করলেও লকডাউনে তা একেবারে বন্ধ।

jagonews24

তিনি আরও জানান, আজ এক হাজার টাকা দিয়ে ছোট সাইজের ফল কিনেছি। এ ফল বেচতে ৩-৪ দিন লেগে যেতে পারে। ক্রেতার সংখ্যা কম তো। ফল বিক্রি করে এখন প্রতিদিন ১০০ টাকার মত লাভ হয়। তা দিয়ে সংসার চলে। কী করবো খেয়ে না খেয়ে থাকতে হয়।ভিক্ষা তো করতে পারি না। খুবই কষ্টে আছি। এখন পর্যন্ত কোনো ত্রাণ পাইনি। সরকার যদি সাহায্য সহযোগিতা করতো তাহলে কষ্ট একটু কমতো।

এএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।