ছোরা হাতে জনসম্মুখে হামলা, টঙ্গীর সেই তরুণ আটক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাজীপুর
প্রকাশিত: ১০:২২ পিএম, ৩০ এপ্রিল ২০২১

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে প্রকাশ্যে ধারালো ছুরি (সুইচ গিয়ার) নিয়ে এক তরুণের হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তাকে আটক করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দত্তপাড়া হাজি মার্কেট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক তরুণের নাম মিজানুর আলম সাব্বির ওরফে কেবিডি (১৮)। তিনি টঙ্গীর দত্তপাড়া হাউজ বিল্ডিং এলাকার মো. শাহ আলমের ছেলে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) ইলতুৎ মিশ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, মিজানুর আলম সাব্বির এলাকায় কেবিডি নামে পরিচিত। কিশোর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে বাবার বাসা থেকে এক বছর আগে তাকে বের করে দেয়া হয়। তাছাড়া তার বাবা-মায়ের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেলে তার মা অন্যত্র বিয়ে করে চলে যান। একারণে অভিভাবকহীন সাব্বির অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়েন।

পুলিশ আরও জানায়, পরবর্তীতে এলাকার এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বাসায় আশ্রয় পান সাব্বির। সেখান থেকে এলাকায় কিশোর-যুবকদের সঙ্গে চলাফেরা করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন তিনি। এলাকার অলি-গলিতে বিভিন্ন সময় মারামারির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কেবিডি সাব্বিরের সঙ্গে আরও কিছু উঠতি বয়সী তরুণ ও কিশোর রয়েছে যারা এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) ইলতুৎ মিশ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ধারালো ছুরি হাতে বনমালা এলাকায় এক তরুণের হামলার ভিডিও আসে আমাদের হাতে। সেই ভিডিও দেখে পুলিশের একটি টিম দত্তপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাব্বির ওরফে কেবিডিকে গ্রেফতার করেছে। তার সঙ্গে অপরাধপ্রবণ আরও বেশ কয়েকজন কিশোর ও যুবকের নাম পেয়েছি আমরা। তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ইলতুৎ মিশ আরও বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির পুলিশকে জানিয়েছে, কেবিডি এর পূর্ণনাম কামলা বলদ ডমেস্টিক। তার সহযোগীরা তাকে এই নামে ডাকতো। এর বাইরেও তার ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ নেয়া হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

এদিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর টঙ্গীর বনমালা (শান্তিবাগ) এলাকার এইচএম মেহেরের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় শুক্রবার টঙ্গী পূর্ব থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

মো. আমিনুল ইসলাম/এমআরআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।