‘ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধান কেটে না দিলে ঘরে তুলতে পারতাম না’
শ্রমিক ও অর্থ সংকটের কারণে পাকা ধান কাটতে পারছিলেন না অসহায় কিষানি বিধবা রুমা বেগম (৫০)। এই অবস্থায় তার পাশে দাঁড়িয়েছেন কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তার ৩২ শতক জমির বোরো ধান কেটে বাড়িতে তুলে দেন তারা।
রুমা বেগমের বাড়ি শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নের আচুড়া এলাকায়।

কিষানি রুমা বেগম বলেন, ‘গত বছরও শ্রমিক ও অর্থ সংকটের কারণে ধান কাটতে পারছিলাম না। তখন ছাত্রলীগ আমার ধান কেটে দিয়েছে। এ বছরও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা যদি আমার ধান কেটে না দিত তাহলে শ্রমিক ও অর্থের অভাবে হয়তো আমি আমার ধান বাড়িতে তুলতে পারতাম না। আমি ছাত্রলীগ নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’

তিনি বলেন, অন্যের ৩২ শতক জমি বর্গা নিয়ে ধানচাষ করেছিলাম। ধানও ভালো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফাহাদ হোসেন তপু বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে ধান কাটতে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। শ্রমিক না পাওয়ায় নিজ জমির পাকা ধান কাটতে পারছিলেন না বিধবা রুমা। এই অবস্থায় শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু ভাইয়ের নির্দেশে আমরা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে তার ধান কেটে দিয়েছি।

এসময় জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ উজ্জামান, জেলা ছাত্রলীগের নেতা আসাদুজ্জামান শাওন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শিকদার, জেলা ছাত্রলীগের নেতা আদনান শামিম, পৌরসভা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মো. ছগির হোসেন/এসআর/এএসএম