এখনো ২৫ দিনের অকটেন মজুত, তারপরও পাম্পে ভিড়

ইকবাল হোসেন
ইকবাল হোসেন ইকবাল হোসেন , নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ১২:৩৭ পিএম, ০৮ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রামে তেল নিতে পাম্পে ভিড়, ছবি: জাগো নিউজ

# এখনো ২৫ দিনের অকটেন মজুত
# প্যানিক উসকে দেওয়ার একটি কারণ সরকারি অপরিপক্ব নির্দেশনা
# মন্ত্রী-আমলাদের মন্তব্যে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ সমালোচকদের

একদিন আগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বলেছিল সারাদেশে অকটেনের মজুত ২৩ হাজার ৫০০ টন। যা দিয়ে বর্তমান অবস্থায় ২৫ দিনের মতো সামাল দেওয়া যাবে। অথচ ডিজেলের মজুত কম। চাহিদার কারণে বর্তমান মজুত ডিজেলে ১৫ দিন চলবে। কিন্তু ডিজেল নিয়ে তেমন মাতামাতি না হলেও গত দুদিনে অকটেন নিয়ে শোরগোল শুরু হয়। দেশের অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেল ও প্রাইকেটকারের দীর্ঘ সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে অনেকে তেল সংগ্রহ করছেন।

মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার-জিপের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় অকটেন। মোটরসাইকেলে প্রায় শতভাগ হলেও প্রাইভেটকার ও জিপ অকটেনের পাশাপাশি এলপিজি, এলএনজি ব্যবহার করেও চলে।

দেশের জ্বালানি তেল আমদানি পরিশোধন, বিতরণ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। শুক্রবার বিকেলে বিপিসির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে প্রেস রিলিজ পাঠিয়ে যানবাহনে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রির নির্দেশনা জারি করা হয়। বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা সই করা ওই প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান পরিস্থিতিতে প্রতিদিন একটি মোটরসাইকেলকে দুই লিটার, প্রাইভেটকারকে ১০ লিটার, জিপ-মাইক্রোবাসকে ২০-২৫ লিটার অকটেন/পেট্রোল, পিকআপ/লোকাল বাসকে ৭০-৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস/ট্রাক/কাভার্ডভ্যান/কনটেইনার ট্রাককে ২০০-২২০ লিটার ডিজেল দেওয়ার নির্দেশনা দেয় বিপিসি।

মূলত বিপিসির সরকারি এ নির্দেশনার পর সারাদেশে যানবাহন ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থার কারণে সামনের দিনগুলোতে জ্বালানি তেলের সংকট প্রকট হতে পারে। কারণ বাংলাদেশে আমদানি করা জ্বালানি তেলের সিংহভাগের উৎস মধ্যপ্রাচ্য। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সামনের দিনগুলোতে জ্বালানি তেল না পাওয়ার উদ্বিগ্নতার কারণেই চালকরা জ্বালানি তেল নিয়ে পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন।

জ্বালানি তেল বিপণনে জড়িত ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের অপরিপক্ব নির্দেশনার কারণে জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেল নিয়ে মন্তব্যে মন্ত্রী-আমলাদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সমালোচকরা।

দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে গত বৃহস্পতিবার বিপিসির দুই গুরুত্বপূর্ণ পরিচালককে ওএসডি করা হয়েছে। চলমান জ্বালানি সংকটে বিপিসির দুই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের পরিচালক (অপারেশন ও পরিকল্পনা) ড. এ কে এম আজাদুর রহমান এবং পরিচালক (বিপণন) আশরাফ হোসেনকে ওএসডি করার কারণে বিপিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। চলমান সংকট নিয়ে উদ্বিগ্নতার মধ্যে বিপিসি দায়িত্বশীল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে কথা বলতে চাইছেন না।

এদিকে, সংকটকালীন দুই অভিজ্ঞ পরিচালককে ওএসডি করা অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি সমালোচকদের। অন্যদিকে, মাত্র দুই সপ্তাহ আগে বিপিসিতে যোগদান করেছেন চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান। তিনি গুছিয়ে ওঠার আগেই মধ্যপ্রাচ্য সংকট শুরু হলে দিশাহারা অবস্থা তৈরি হয় বিপিসির।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিপিসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, আজ ১ লাখ ৩০ হাজার ৭১৭ টন ডিজেল হাতে রয়েছে। এরসঙ্গে ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে দুই হাজার টন এবং সিআরআই প্ল্যান্টগুলো থেকে কিছু পাওয়া যাবে। এতে ১ লাখ ৩২ হাজার টনের কমবেশি বলা যাবে। যা দিয়ে রেশনিং করে ১৫ দিনের মতো চলবে। বর্তমানে ২৩ হাজার ৫০০ টন অকটেন এবং ১৬ হাজার টন পেট্রোল রয়েছে। এসব অকটেন দিয়ে ২৫ দিন, পেট্রোল দিয়ে ১৬ দিন, ফার্নেস অয়েল যা আছে তা দিয়ে ৪৯ দিন চালানো যাবে।

তিনি বলেন, এ মাসে আমাদের ক্রুডের দুটি পার্সেল আসার কথা। এরমধ্যে সৌদিয়ার রাস তানুরা বন্দরে ট্যাংকার ভেসেল ‘নর্ডিক পোলাক’ আটকে আছে। জাহাজটি এক লাখ টন মারবান ক্রুড নিয়ে আসার কথা ছিল। পাশাপাশি আগামি ২২ মার্চ ‘ওমেরা গ্যালাক্সি’ আমিরাতের জেবেলদানা অথবা ফুজাইরা বন্দরে লোডের জন্য যাওয়ার কথা রয়েছে।

তবে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জাহাজ মালিকরা জাহাজ পাঠাতে রাজি হচ্ছেন না বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

এদিকে, সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রামজুড়ে পেট্রোল পাম্পগুলোতে অকটেন মিলছে না। তবে ডিজেল, পেট্রোল কিংবা কেরোসিন নিয়ে কোনো বাদানুবাদ নেই। সরকারি নির্দেশনা থাকলেও চালকদের ভোগান্তি কমাতে প্রতি মোটরসাইকেলকে ৫০০ টাকার অকটেন বিক্রি করছেন। শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হয় এ চাপ।

পাম্পের কর্মচারী আনোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, আমরা গতকালও (শুক্রবার) ফুল টাঙ্কি তেল দিয়েছি। সরকারিভাবে নির্দেশনা এসেছে মোটরসাইকেলে দুই লিটার, প্রাইভেটকারে সর্বোচ্চ ১০ লিটার অকটেন দেওয়ার। কিন্তু আমরা ভোগান্তি কমাতে মোটরসাইকেল ৫০০ টাকার এবং কারে ১৫০০ টাকার অকটেন দিচ্ছি।’

দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন মো. নেসার উদ্দিন নামের এক বাইকচালক। তিনি বলেন, অনেক পেট্রোল পাম্প তেল দিচ্ছে না। ১০০-২০০ টাকার দিচ্ছে। এখানে অন্তত ৫০০ টাকার দিচ্ছে। তাই কষ্ট হলেও লাইনে দাঁড়িয়েছি।

আবার গাড়িতে প্রয়োজনীয় তেল থাকার পরেও অনেকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন তেল নেওয়ার জন্য। শনিবার বিকেলে কিউসি পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য লাইন শেষ করে কাউন্টারে অকটেন নিতে আসেন একটি প্রাইভেটকার। কারটির সামনের গ্লাসে সাঁটানো রয়েছে- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, মুহাম্মদ রেজাউল করিম, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার। তার গাড়িতে মাত্র ৫৫০ টাকার তেল দেওয়ার পর গাড়ির টাংকি পূর্ণ হয়ে যায়। তখন কাউন্টারের কর্মচারী বলেন, টাংকিতে অর্ধেকের বেশি তেল থাকার পরও কেনো আবার নিচ্ছেন।

কিউসি পেট্রোল পাম্পের ক্রেডিট ম্যানেজার মো. শাহজাহান শনিবার বিকেলে জাগো নিউজকে বলেন, ‘আগে এমন চাপ ছিল না। অন্য পাম্পগুলোতে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। তাই আমাদের ওপর চাপটা বেড়ে গেছে। আমাদের হাতে এখনও ৬ হাজার লিটারের অকটেন রয়েছে। যতক্ষণ থাকবে তখন সরবরাহ দেবো। শেষ হলে পাম্প বন্ধ করে দেবো।

এদিকে নগরীর লালখান বাজার, দামপাড়া, চান্দগাঁও, বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল, কদমতলী এলাকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে অকটেন মিলছে না। আবার দু-একটিতে দুপুর পর্যন্ত পাওয়া গেলেও দুপুরর পর পাম্পে সামনে বাঁশ দিয়ে প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

বৃহত্তর চট্টগ্রাম পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব মো. মাঈনুদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, অনেকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দুই লিটার নিয়ে তা বাসায় বোতলে ভরে রেখে, আবার পাম্পে যাচ্ছে তেলের জন্য। এক পাম্পে নেওয়ার পর অন্য পাম্প থেকেও তেল সংগ্রহ করতে ব্যস্ত। এতে সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে জটলা তৈরি হয়েছে। এ হুজুগ দু-একদিনের মধ্যে কেটে যাবে।

তিনি বলেন, আমাদের এখন রেশনিং করে তেল দেওয়া হচ্ছে। মানে গত বছর মার্চ মাসে পাম্পগুলো যত তেল নিয়েছিল, এখন তার ২৫ শতাংশ কম দিচ্ছে। সংকট কাটানোর জন্য এটি আমাদের মানতে হচ্ছে।

সংগঠনটির আহ্বায়ক আবু তৈয়ব পাটোয়ারী জাগো নিউজকে বলেন, জ্বালানি তেল নিয়ে দেশে প্যানিক কেনো তৈরি হলো সেটি বোধগম্য নয়। দেশের অকটেনেরও স্বল্পতা থাকলে কোন সমস্যা হতো না। বিপিসির চেয়ারম্যান বলেছেন-১৪ দিনের জ্বালানি আছে। এতো দিনের স্টক আছে, এটা না বলে যদি রেশনিং করে যেভাবে তেল সরবরাহ দিচ্ছে তাতে কোন সমস্যা হতো না। বিপিসির পক্ষ থেকে বলার পর দেশজুড়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এখানে জটিলতাও আছে। বিপিসির নতুন চেয়ারম্যান আসছেন দুই সপ্তাহ হয়নি। সবকিছু বুঝে নিতেও তো ৬ মাস সময় লাগে। দেখা যায়, হুট করে বদলি হয়ে যায়। বিপিসিতে গত ১৫ বছর ধরে এমন চলছে। এতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতেও জটিলতা তৈরি হয়। তিনি বলেন, আমাদের যে মজুত রয়েছে তাতে সমস্যা থাকার কথা নয়।

এ বিষয়ে বিপিসির বিপণন কোম্পানিগুলোর দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিপো অপারেশনে অভিজ্ঞ এক কর্মকর্তা বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে রেশনিং করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডিলারদের গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম সরবরাহ দেওয়ার হচ্ছে। বর্তমানে যে মজুত আছে, তাতে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো ঘটনা নেই।

আরেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘ডিজেলটি আমাদের বেশি লাগে। আগামী ৯ মার্চ দুটি পার্সেল আসতেছে। এতে ডিজেলের মজুত আরও বেড়ে যাবে। পেট্রোল-অকটেন নিয়েও আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। কারণ এগুলো লোকাল সোর্স থেকেও পাওয়া যায়। আশা করছি- আমরা দৃঢ়তার সাথে এ সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবো।’

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, বিগত সরকারের আমলারা এখন রয়েছে গেছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় গেলেও আমলারা তাদের সঠিকভাবে সহযোগিতা করছে না। এতে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। আমলাদের ঢেলে সাজাতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশেও উদ্বেগ আছে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, এসব উদ্বেগের সুযোগও অনেকে নেয়। এ মুহূর্তে আমলাদের সহযোগিতা না পেলে সরকারকে বেকায়দায় পড়তে হয়। পাশাপাশি দেশে যাতে প্যানিক তৈরি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইতোমধ্যে বিপিসির দুইজন পরিচালককে ওএসডি করা হয়েছে। বিগত সময়ে কাজ করার কারণে বিপিসির জ্বালানি আমদানি অপারেশন বিপণন নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কোন অভিযোগ থাকলে তাদের বিরুদ্ধে শান্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে এ সংকট শেষ হওয়ার পরেও নেওয়া যেতো। এখন হুট করে ওএসডি করা হয়েছে। নতুন দুইজন পদায়ন করা হলে তাদের বিষয়টিগুলো বুঝতেও সময় লাগবে।’

বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা জাগো নিউজকে বলেন, মাধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে সম্ভাব্য সব ধরনের সংকট ও ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার গভীরভাবে কাজ করছে। সারাদেশে জ্বালানি তেল বিপণন ব্যবস্থাপনা ক্লোজ মনিটরিং করা হচ্ছে। আমাদের হাতে এখনো জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক মজুত রয়েছে। আশা করছি, আমরা সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবো।

তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু। শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এমন কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আগামী ৯ তারিখ আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ আসবে। আমরা রেশনিংটা করেছি এজন্যই যে একটা অনিশ্চয়তা আছে যুদ্ধটা কতদিন চলবে। এজন্য আমরা রেশনিং করেছিলাম। কিন্তু মানুষ ভয় পেয়ে স্টক করা শুরু করেছে। আসলে আমাদের তেলের কোনো অভাব নেই।

এমডিআইএইচ/এসএনআর/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।