নগরকান্দার মেয়র নিমাই সরকার হাঁটতে ও কথা বলতে পারছেন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০৩:০৬ এএম, ০৮ মে ২০২১

ফরিদপুরের নগরকান্দা পৌরসভার মেয়র নিমাই চন্দ্র সরকার এখন হাঁটতে পারেন, কথাও বলতে পারেন। ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেকটা ভালো হয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনায় মেয়রের স্ত্রী সঞ্চিতা সরকার ও ছেলে গৌরব সরকারসহ তিনজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। এতে আহত হন কমপক্ষে ১০ জন। প্রাণে রক্ষা পান মেয়র নিমাই সরকার। মারাত্মক অসুস্থ হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি এ কারণে শপথ গ্রহণ করতে পারেননি।

মেয়রের ছোটভাই লিটন কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, ‘দাদা (মেয়র) আগের তুলনায় অনেক সুস্থ। এখন তিনি হাঁটতে ও মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন। দাদা এখন ঢাকার কঁচুক্ষেত এলাকায় বসবাসরত আমার ছোটবোন কবিতা সরকারের বাসায় আছেন। সেখানে থেকে তিনি ল্যাবএইড হাসপাতালের মেডিসিন ও নিউরো মেডিসিনের অধ্যাপক ডা. আজহারুল হক ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ আলমগীরের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি সবার কাছে দোয়া ও আর্শীবাদ কামনা করেছেন।’

নিমাই সরকার ঈদের পর মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে পারেন বলেও জানান তার ভাই লিটন সরকার।

প্রসঙ্গত, গত ৩ মার্চ দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গার একটি অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের নগরকান্দার কাইচাইল ইউনিয়নের কাইল্যার মোড় নামক এলাকায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে পৌর মেয়রের স্ত্রী সঞ্চিতা সরকার (৩৬), ছেলে গৌরব সরকার (২১) এবং নগরকান্দা পৌর যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কামাল মাতুব্বর (৩৭) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত হন পৌর মেয়র নিমাই চন্দ্র সরকারসহ ১০ জন। আর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এসআর/এএএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]