স্পিডবোট দুর্ঘটনা : ৮ কারণ চিহ্নিত করে তদন্ত প্রতিবেদন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর
প্রকাশিত: ০৯:২০ পিএম, ০৯ মে ২০২১ | আপডেট: ০৯:৪৫ পিএম, ০৯ মে ২০২১

মাদারীপুরের শিবচরে কাঁঠালবাড়ীর বাংলাবাজার পুরোনো ঘাটে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় আটটি কারণ চিহ্নিত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা প্রশাসনের গঠন করা তদন্ত কমিটি। এছাড়া দুর্ঘটনারোধে ২৩টি সুপারিশমালা দেয়া হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে।

রোববার (৯ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদনটি জমা দেয়া হয়।

তদন্ত কমিটির প্রধান স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক আজহারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, তদন্তে দুর্ঘটনার আটটি কারণ চিহ্নিত করেছি।

কারণগুলো হলো- কোভিড-১৯ বিস্তার রোধকল্পে চলমান সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইজারাদার কর্তৃক স্পিডবোটটি শিমুলিয়া ঘাট থেকে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে আসার সুযোগ করে দেয়া, স্পিডবোট চালকের অসতর্কতা, চালকের কোনো প্রশিক্ষণ না থাকা, চালক কর্তৃক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় স্পিডবোট চালানো, নৌ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় চালক কর্তৃক স্পিডবোটটি নির্ধারিত ঘাটে না ভেড়া, অতিরিক্ত স্পিডে বোটটি চালানো, বিআইডব্লিউটিএ ও নৌপুলিশ কর্তৃক কোভিড-১৯ বিস্তার রোধকল্পে চলমান সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখতে না পারা এবং ঘাটের অব্যবস্থাপনা।

Madarepur

জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়ে বলেন, ‘তদন্ত কমিটি যে কারণগুলো দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করেছে, সে কারণগুলো যেন আর ঘটতে না পারে তার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া তারা যে সুপারিশগুলো করেছে সেগুলো পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।’

উল্লেখ্য, ৩ মে ভোরে ঘাটে নোঙর করে রাখা বালুবোঝাই বাল্কহেডের সঙ্গে শিমুলিয়া থেকে আসা একটি দ্রুতগতির স্পিডবোটের ধাক্কা লাগে। এতে ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ কে এম নাসিরুল হক/এসজে/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]