সেই সাত বাল্কহেড মালিককে পৌনে ৩ লাখ জরিমানা
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ডলুরায় অভিযান চালিয়ে জব্দ করে এড়িয়ে যাওয়া সেই সাতটি বাল্কহেডের মালিককে ৪০ হাজার টাকা করে মোট দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ মে) দুপুরে এ জরিমানা করেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আল জিনাত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আল জিনাত জাগো নিউজকে বলেন, ‘জব্দকৃত সাতটি বাল্কহেডকে দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আমি নিজে পাঁচটি বাল্কহেডকে জরিমানা করেছি। আমার সহকর্মী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দুটিকে জরিমানা করেছেন।’
এর আগে রোববার (১৬ মে) সুনামগঞ্জে ৭ বাল্কহেড জব্দ নিয়ে ‘লুকোচুরি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কম।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ডলুরায় শনিবার (১৫ মে) রাতে অভিযান চালিয়ে সাতটি বালুভর্তি বাল্কহেড জব্দ করা হয়। তবে ঘটনাটির বিষয়ে জানতে কথা বলতে চাইলেও এড়িয়ে যান পুলিশের কর্মকর্তারা।
শনিবার রাতে বাল্কহেডগুলো জব্দের পর সুনামগঞ্জ লঞ্চঘাট শহর পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। রোববার (১৬ মে) বেলা ১১টায় জব্দ সাতটি বাল্কহেডের ছবি ও ফুটেজ জাগো নিউজের কাছে আসে।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমানের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বাল্কহেড জব্দের বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করেন। সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিন্নাত বাল্কহেডগুলো জব্দ করেছেন বলে নিশ্চিত তথ্য আছে জানালে ওসি বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। এরপর কল কেটে দেন।
পরে সদর থানার এসআই জিন্নাতের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন কেটে দেন। পাঁচ মিনিট পর ফোন দিলে তিনি রিসিভ করে বলেন, ‘কে আপনি ভাই, এতো ফোন দিচ্ছেন কেন?’ সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি আর কোনো কথা বলতে চাননি। শুধু বলেন, ‘আপনি ওসি স্যারকে ফোন দেন।’
পরে দুপুরে সদর থানার ওসি সহিদুর রহমানকে কল দেয়া হলেও তার আর সাড়া মেলেনি।
লিপসন আহমেদ/এসআর/এএসএম