পয়েন্টে পয়েন্টে হরেক চাঁদা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০২:২২ পিএম, ২১ মে ২০২১ | আপডেট: ০২:৫৭ পিএম, ২১ মে ২০২১

##নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চলছে দূরপাল্লার বাস
##গণপরিবহন সঙ্কটের সুযোগ নিচ্ছে ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাস
##সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দিতে হচ্ছে কয়েক ধরনের চাঁদা
##কতিপয় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যের সহায়তায় পরিবহন শ্রমিকরা তুলছে চাঁদা

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রংপুরের মডার্ন মোড় থেকে রকি পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী কোচ বুধবার (১৯ মে) রাতে রওনা হয় ঢাকার পথে। সন্ধ্যা ৬টায় রওনা দিয়ে ৪২ সিটের এই গাড়িটি বগুড়া পর্যন্ত আসতেই সময় লাগলো সাড়ে তিন ঘণ্টা। তখন বাসে যাত্রী সংখ্যা ৫২ হয়ে গেছে। সিট ছাড়া যাত্রীরা বসেছেন আলাদা করে পেতে দেয়া বেঞ্চে।

বগুড়ার মাটিডালি আসার পর গাড়ির হেলপার তার পকেট থেকে একটি ডার্বি সিগারেটের প্যাকেট বের করলেন। তাতে থাকা মাত্র একটি সিগারেট পকেটে ঢুকিয়ে প্যাকেটের সাদা র‌্যাপিং কাগজটি সোজা করে তাতে ৫০০ টাকার একটি নোট মুড়লেন। এরপর ছুড়ে মারলেন সামনে অন্ধকারে দাঁড়ানো একজনকে লক্ষ্য করে। টর্চলাইট হাতে লোকটি দুবার আলো জ্বাললেন (এটা একটি সিগন্যাল)। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাইওয়ে পুলিশের তিনজন কনস্টেবল রকি পরিবহনের পাশ থেকে সরে গেলেন। এরপর বন্ধ হলো গাড়ির ইঞ্জিন। হেলপার উঁচু গলায় প্যাসেঞ্জার ডাকা শুরু করলো, ‘সিট ফাঁকা, ডাইরেক্ট ঢাকা’।

আশপাশে ঘুরে দেখা গেল, শুধু মাটিডালি এলাকাতেই টর্চলাইট হাতে এভাবে চাঁদা তোলার কাজ করছেন ৮-১০ জন। সেখানে কর্তব্যরত হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে বোঝাপড়া দেখা যায় তাদের। বাস-ট্রাক এলেই পুলিশ হাত তুলে থামার সংকেত দিচ্ছে। আর ড্রাইভারের চোখে টর্চের আলো ফেলে সংকেত দিচ্ছে চাঁদা আদায়কারীরা।

কৌশলে কাগজে মোড়ানো এ টাকা এক যায়গায় নেয়া হচ্ছে না। কখনো উত্তরে, কখনো দক্ষিণে, কখনো পূর্ব পাশে ঘুরপাক খাচ্ছে চাঁদা আদায়কারীরা। অনেকটা চক্রাকারে। শতশত গাড়ির মাঝে তাদের এই পদ্ধতি ধরা অনেকটাই কঠিন ব্যাপার। একই পদ্ধতিতে চাঁদা তোলা হচ্ছে চারমাথা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের আশেপাশের এলাকায়ও।

মাটিডালিতে চাঁদা আদায়কারী হালিম (ছদ্মনাম) জানান, তারা পরিবহন শ্রমিক। তবে এখন কাজ করছেন হাইওয়ে পুলিশের হয়ে। দিনে চাঁদা তোলেন নিজ সংগঠনের জন্য। পুলিশ তাকে শ’প্রতি দেয় ১০ টাকা। দুই ঘণ্টা পরপর কালেকশনের টাকা বুঝে নেন একজন সাদা পোশাকের কনস্টেবল। হালিম জানান, তার মতো আরও ১২ জন শুধু মাটিডালিতেই প্রতি রাতে কাজ করেন। দিনের বেলা তারা ছড়িয়ে পড়েন বিভিন্ন স্থানে।

মাটিডালি থেকে শহর হয়ে ৯ কিলোমিটার দূরে বনানী মোড়ে এসেও দেখা গেলো চাঁদা তোলার দৃশ্য। বড় ট্রাক, ছোট ট্রাক, বাস, হায়েসসহ নানা ধরনের পরিবহনের সিরিয়াল। সেখানে চাঁদা আদায় করছেন অন্তত ১৫ জন। ভিন্ন জেলার গাড়ি থেকে নেয়া হচ্ছে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা। কোনো কথা না বলে নীরবে চাঁদার টাকা দিয়ে যাত্রী নিয়ে ছুটে চলছে যানবাহনগুলো।

তবে বনানীতে টাকা আদায়ের চিত্র আবার ভিন্ন। আদায়কারী যাত্রী সেজে উঠছে গাড়িতে। এরপর গাড়ির হেলপার কিংবা সুপারভাইজার গল্প করার ছলে তার পকেটে ভরে দিচ্ছেন চাঁদার টাকা। শেষে গাড়ি ছাড়ার এক মিনিট আগে নেমে যাচ্ছে চাঁদা আদায়কারী।

এখানকার চাঁদা আদায়কারী মনির (ছদ্মনাম) বলেন, ‘এই টাকা আমরা একা নেই না। নেতা, পুলিশ, শ্রমিক সবাই মিলে মিলেমিশে খাই। এ কারণে পুলিশের ঝামেলা নেই। আর মাঝে মাঝে ঝামেলা তৈরি হলে ১-২ ঘণ্টা চাঁদা তোলা বন্ধ রাখি।’

১৮ মে দিনের বেলা বগুড়ার চারমাথা ও বনানী পয়েন্টে প্রকাশ্যেই যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাস থেকে চাঁদা তুলতে দেখা যায়। প্রতিটি গাড়ি থেকে শুধু এই দুইটি পয়েন্টেই নেয়া হচ্ছে ৫০০ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত। বিনিময়ে কোনো স্লিপ বা টোকেন দেয়া হচ্ছে না। আদায়কারীদের জিজ্ঞাসা করলে বলা হচ্ছে এটা সম্মিলিত চাঁদা। অর্থাৎ মালিক শ্রমিক পুলিশ সবাই মিলেই এই চাঁদা তুলছেন।

এদিকে, বগুড়া শহরের মতোই শেরপুর উপজেলা মহাসড়কে চাঁদা আদায় করছেন শ্রমিক নেতাদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যরা। সেখানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে ‘কল্যাণ চাঁদা ও ‘যাত্রী সেবা’ এমন নাম ব্যবহার করে নীরবেই এই চাঁদাবাজির মহোৎসব চলছে।

শেরপুর উপজেলাস্থ টার্মিনালগুলো থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকাগামী প্রত্যেক বাস-ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার থেকে চাঁদা নেয়া হচ্ছে। শ্রমিক ও মালিক সংগঠনের যৌথভাবে নিয়োগ দেওয়া ব্যক্তিরা ঢাকাগামী প্রত্যেক ট্রাক থেকে ৫০০-৬০০ টাকা, পিকআপ থেকে ৪০০-৫০০টাকা, বাস থেকে ৮০০-১০০০ টাকা, মাইক্রোবাস থেকে ৮০০-১০০০টাকা ও প্রাইভেটকার থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছেন।

সরাসরি চাঁদা হিসেবে এই টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করলেও শ্রমিকদের কল্যাণসহ সব মহলকে ম্যানেজ করতেই এই টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে বলে স্বীকার করেন চাঁদা উত্তোলনের দায়িত্বে থাকা রাজু আহম্মেদ নামের স্থানীয় এক শ্রমিক নেতা।

চাঁদাবাজদের কাছে জিম্মি কুড়িগ্রামের পরিবহনও
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার শাপলা চত্বর, খলিলগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ গেট, জজকোর্ট মোড়, রেল গেট, ধরলা ব্রিজ, বীরপ্রতীক তারামন বিবি সড়ক মোড়, যাত্রাপুর, পাটেশ্বরী ও কাঁঠালবাড়ী বাজার এলাকায়ও চাঁদা তোলা হচ্ছে। রাজারহাট উপজেলার চওড়া বাজার, সেলিম নগর, রেলগেট, নাজিম খাঁ, চাঁদনী কর্নার, কলেজ মোড়, আদর্শ বাজার, সিংগের ডাবরী, বৈদ্যের বাজার ও রেলস্টেশনেও দিতে হচ্ছে চাঁদা।

পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কুড়িগ্রাম থেকে রংপুর, লালমনিরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, দিনাজপুর, বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং অভ্যন্তরীণ রুটে প্রায় পাঁচ হাজার যানবাহন চলে। এসব যানবাহন থেকে প্রকারভেদ অনুযায়ী চাঁদা তোলা হচ্ছে।

চাঁদা আদায় বন্ধে নানা উদ্যোগ-অভিযানও নিষ্ফল
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিধিনিষেধ ও বাধা সত্ত্বেও বগুড়াসহ উত্তরবঙ্গের সড়ক-মহাসড়কে কৌশলে চাঁদাবাজি চলছেই। এটি বন্ধে পুলিশ ও পরিবহন সংগঠনগুলোর নানা উদ্যোগ এবং অভিযানও ফল দিচ্ছে না। বগুড়া থেকে ঢাকা পর্যন্ত যেতে বিভিন্ন পয়েন্টের অন্তত ১০টি স্থানে দিতে হচ্ছে এই চাঁদা। একইভাবে চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছে বগুড়া থেকে দিনাজপুরগামী গাড়িগুলোও।

বাস, ট্রাক ও মাইক্রোবাস চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন সংগঠনের নামে-বেনামে চাঁদা তোলা হচ্ছে। তবে সড়ক-মহাসড়কে চাঁদা তোলার পয়েন্টগুলো বদল হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর উত্তরবঙ্গের মহাসড়কের বিভিন্ন নতুন পয়েন্টে এখনো চাঁদা তোলা হচ্ছে। যদিও চাঁদাবাজির সময় পুলিশ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।

তবে সড়ক পরিবহন সংগঠনের নেতারা দাবি করছেন, সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ করতে সব সংগঠন একমত হয়েছে এবং চাঁদা না তুলতে সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছে। যারা এখন চাঁদা তুলছে এরা পরিবহনের কেউ নয়। এরা বহিরাগত।

বঙ্গবন্ধ সেতু ঘিরেই কয়েকটি চক্র
বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে সয়দাবাদ-হাটিকুমরুল মহাসড়কের কড্ডা ট্রাফিক ফাঁড়ির পাশে পরিবহন নেতা ও তাদের লোকজন সক্রিয় রয়েছেন। হাইওয়ে, ট্রাফিক ও সেতু থানা পুলিশের সামনে ঢাকা ও উত্তরবঙ্গগামী শত শত বাসে দিনরাত প্রতিদিনই চাঁদাবাজি চলছে বলে জানান যানবাহন চালকরা।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুর উভয় প্রান্ত থেকে সিরাজগঞ্জ কড্ডার মোড় হয়ে উত্তরাঞ্চলের প্রতি জেলাতেই ‘কল্যাণ চাঁদার’ নামে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের যৌথ চাঁদাবাজি চলছে। সেতুর পশ্চিম পাড়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার অদূরে সিরাজগঞ্জ রোড, ভূঁইয়াগাঁতী, চান্দাইকোনা, ষোলমাইল, সলঙ্গা, মহিষলুটি, বোয়ালিয়া, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর ও বাঘাবাড়ীসহ নানা পয়েন্টে ‘কল্যাণ চাঁদা’ ছাড়াও চেইন মাস্টার, কলারবয় ও চুঙ্গী (যারা যাত্রীদের টেনে হেঁচড়ে নিয়ে আসে) শ্রমিকদের সাধারণ চাঁদা উত্তোলনও চালু রয়েছে। হাটিকুমরুল মহাসড়কের দক্ষিণ প্রান্তে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী বাসগুলোতে রফিকুল ইসলাম ও উত্তর প্রান্তে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী বাসে চাঁদা তোলার জন্য মন্টু শেখ দায়িত্বে রয়েছেন। ৩২ জন করে উভয় প্রান্তে মোট ৬৪ জন চাঁদা উত্তোলনকারী, কলারবয়, চুঙ্গী ও চেন মাস্টার দায়িত্বে রয়েছেন। এখানে গোপনে প্রতিটি যানবাহন থেকে ১২০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে।

jagonews24

চাঁদা আদায়কারী রফিক (ছদ্মনাম) জানান, শতকরা ১০ টাকা উত্তোলনকারী বাদে বাকি টাকা বিভিন্ন ফান্ডে যায়। হাটিকুমরুল মোড়ে কল্যাণ চাঁদা উত্তোলন না হলেও সেখানে চেইন মাস্টার, চুঙ্গী ও কলারবয়দের চাঁদা তোলা হচ্ছে। এখানেও চারটি পয়েন্টে কমপক্ষে ৬০-৭০ জন পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করে থাকে।

মনির নামের একজন বাসচালক জানান, ঢাকা থেকে রংপুরগামী একটি নন ব্র্যান্ডের যাত্রীবাহী বাসকে যাত্রাপথে সড়ক-মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এক হাজার টাকা থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘বগুড়া ও রংপুর জোনের ভেতরে সবচেয়ে বেশি চাঁদা দিতে হয়। দেশের অন্যান্য সড়ক-মহাসড়কেও চাঁদা তোলা হয়, তবে তা উত্তরবঙ্গের মতো এতটা কৌশলী নয়। বগুড়া থেকে শুরু করে উত্তর দিকে চলতে থাকলে সড়ক-মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চাঁদা নেয়ার জন্য সিন্ডিকেটের লোক বসে থাকে।’

ঢাকা-বগুড়া-রংপুর রুটে চলাচলকারী আবুল কাশেম নামের এক বাসচালক বলেন, ‘পুলিশের অভিযান শুরু হওয়ার পর চাঁদাবাজরা চাঁদাবাজির পয়েন্ট পরিবর্তন করেছে। আগের নির্দিষ্ট অবস্থানে না থেকে অন্য স্থানে চাঁদা আদায়ের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। আগে বাস থামিয়ে টাকা হাতে দিতে হতো। এখন টাকা কাগজে পেঁচিয়ে রাখা হয়। নির্দিষ্ট স্থান অতিক্রমের সময় ছুঁড়ে মারতে হয়। সিন্ডিকেটের লোকজন সঙ্গে সঙ্গে তা নিয়ে যায়।

jagonews24

উত্তরবঙ্গ সড়কে চলাচলকারী প্রতিটি বাসকে দৈনিক গড়ে ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা, আবার কোথাও দুই হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হয় বলে একাধিক চালক অভিযোগ করেছেন।

সিএনজি-অটোরিকশারও নিস্তার নেই
চালকরা বলেন, পরিবহন নেতারা এবং পুলিশ যতই চাঁদা না দেয়ার কথা বলুক, তা আসলে কাগজে-কলমে। বাস্তবে চাঁদা না দিলে রাস্তায় গাড়ি চালানো যাবে না। এমনকি সিএনজিকেও প্রতিদিন বিভিন্ন খাতে গড়ে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা চাঁদা দিতে হয়।

সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আব্দুল মান্নান বলেন, ‘প্রতিদিন সড়ক-মহাসড়কে সিএনজি নিয়ে বের হলেই মালিক সমিতির নিয়োগ দেয়া ব্যক্তিকে ১২০টাকা চাঁদা দিতে হয়। হাইওয়ে পুলিশসহ সব মহলকে ম্যানেজ করতেই নিয়মিত এই চাঁদার টাকা ব্যয় করা হয় বলে শুনেছি।’

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক হাসেম আলী বলেন, ‘আগে প্রতিদিন তাদের কাছ থেকে ৬০ টাকা করে চাঁদা নেয়া হতো। তবে এখন ৩০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে।’

ট্রাক চালক মতিউর রহমান জানান, মালবাহী ট্রাকে যাত্রীবহন ঠিক না। কিন্তু মহামারি করোনার কারণে দূরপাল্লার অধিকাংশ বাস বন্ধ। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে আসা লোকজন কর্মস্থলে যাচ্ছেন। পরিবহন সঙ্কটে যাত্রীদের চাপ থাকায় পরিবহন করছেন। টার্মিনাল থেকে যাত্রী ওঠানোর কারণে এবং শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য ‘কল্যাণ চাঁদা’ হিসেবে প্রতি ট্রাক থেকে ৬০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা যা বলছেন
সড়কে চলাচলরত পণ্যবাহী ট্রাক থেকে প্রতিদিনই চাঁদা আদায় করে পুলিশ। বাংলাদেশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রুস্তম আলী খান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘এর প্রতিবাদ করলে হয়রানি আরও বেড়ে যায়। সড়ক-মহাসড়কে ট্রাক চলাচল করতে গিয়ে একেকটি স্পটে ৫০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হয়। এই চাঁদা যেমন হাইওয়ে পুলিশ নেয়, তেমনি মালিক ও শ্রমিক সমিতির নামেও আদায় করা হয়। পণ্যবাহী ট্রাক ট্রাফিক জ্যামে পড়লে একটি গ্রুপ আছে যারা ভাঙচুরের হুমকি দিয়েও চাঁদাবাজি করে থাকে।’

jagonews24

তিনি আরও বলেন, ‘বগুড়া থেকে ঢাকায় আসতে একটি ট্রাককে অন্তত ১২ জায়গায় চাঁদা দিতে হয়। এগুলো নির্দিষ্ট চাঁদা। এর ওপর হঠাৎ চাঁদাও রয়েছে। গড়ে একটি ট্রাককে কমপক্ষে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা চাঁদা গুনতে হয়।’

জেলা বাস-মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বলেন, ‘মহাসড়কে কোনো চাঁদা আদায় করা হয় না। শুধু শ্রমিক ফেডারেশনের নির্ধারিত শ্রমিকদের জন্য কল্যাণ চাঁদা নেয়া হয়। এছাড়া কোনো চাঁদাবাজির সঙ্গে আমার সংগঠনের কোনো শ্রমিক নেতারা জড়িত নেই।’

বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) আলী আশরাফ ভূঞা বলেন, ‘সড়ক-মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে গাড়ি থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। অনেকে গ্রেফতার হয়েছে। মামলাও হয়েছে। এখন নতুন করে কেউ চাঁদা আদায়ের জন্য পথে নামলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।’

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, ‘পরিবহন মালিক-শ্রমিক একত্রে বসে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবৈধ চাঁদা না ওঠানোর জন্য সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি। আমাদের সংগঠনের কেউ কোথাও চাঁদা তুলছে না। বাইরের কেউ তুলে থাকলে তার দায় আমরা নেব না।’

বগুড়া জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি ও উত্তরবঙ্গ পরিবহন মালিক-শ্রমিক যৌথ কমিটির মুখপাত্র আব্দুল মান্নান আকন্দ বলেন, ‘মহাসড়কে আমাদের কোনো লোকজন চাঁদা তুলছে না। যারা রয়েছে এরা সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ। তাদের ধরে ধরে কারাগারে পাঠানো হোক।’

এসজে/এইচএ/জিকেএস

পরিবহন মালিক-শ্রমিক একত্রে বসে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবৈধ চাঁদা না ওঠানোর জন্য সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি। আমাদের সংগঠনের কেউ কোথাও চাঁদা তুলছে না। বাইরের কেউ তুলে থাকলে তার দায় আমরা নেব না

মহাসড়কে আমাদের কোনো লোকজন চাঁদা তুলছে না। যারা রয়েছে এরা সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ। তাদের ধরে ধরে কারাগারে পাঠানো হোক

সড়ক-মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে গাড়ি থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। অনেকে গ্রেফতার হয়েছে। মামলাও হয়েছে। এখন নতুন করে কেউ চাঁদা আদায়ের জন্য পথে নামলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৯,৪৩,৪০,২৪৫
আক্রান্ত

৪১,৬৪,৫০৫
মৃত

১৭,৬৩,৫১,৫২৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১১,৫৩,৩৪৪ ১৯,০৪৬ ৯,৮৮,৩৩৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৫৩,০৪,২৬৫ ৬,২৬,৬৬৮ ২,৯৫,০২,২৮৭
ভারত ৩,১৩,৭১,৪৮৬ ৪,২০,৫৮৫ ৩,০৫,৩৫,৪৯০
ব্রাজিল ১,৯৬,৩২,৪৪৩ ৫,৪৮,৪২০ ১,৮৩,৩১,৪৬২
রাশিয়া ৬১,০২,৪৬৯ ১,৫৩,০৯৫ ৫৪,৭১,৯৫৬
ফ্রান্স ৫৯,৭৮,৬৯৫ ১,১১,৬১৬ ৫৬,৭৪,৬১২
যুক্তরাজ্য ৫৬,৩৭,৯৭৫ ১,২৯,০৪৪ ৪৪,৩৪,৯৩৯
তুরস্ক ৫৫,৭৪,৯৯৭ ৫০,৮২১ ৫৪,১০,৫৫৪
আর্জেন্টিনা ৪৮,২৭,৯৭৩ ১,০৩,৩৫৯ ৪৪,৬৪,৯৮৭
১০ কলম্বিয়া ৪৭,০৫,৭৩৪ ১,১৮,১৮৮ ৪৪,৬২,৫৭৯
১১ ইতালি ৪৩,১২,৬৭৩ ১,২৭,৯৪২ ৪১,২২,২০৮
১২ স্পেন ৪২,৮০,৪২৯ ৮১,২২১ ৩৬,৮৩,৪৫৭
১৩ জার্মানি ৩৭,৬১,৭৯৯ ৯২,০৩৪ ৩৬,৪৪,১০০
১৪ ইরান ৩৬,৬৪,২৮৬ ৮৮,৫৩২ ৩২,৩৯,১৭২
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৩১,২৭,৮২৬ ৮২,০১৩ ২৪,৭১,৬৭৮
১৬ পোল্যান্ড ২৮,৮২,০৬৬ ৭৫,২৪১ ২৬,৫৩,২২১
১৭ মেক্সিকো ২৭,২৬,১৬০ ২,৩৭,৯৫৪ ২১,২৯,৭৮৮
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩,৫৬,০৪৯ ৬৯,০৭৫ ২১,৩৩,১৯৬
১৯ ইউক্রেন ২২,৪৮,১৬৪ ৫২,৮৩৫ ২১,৮৪,০৩৬
২০ পেরু ২১,০১,১৩৯ ১,৯৫,৬৯৬ ১৭,২০,৬৬৫
২১ নেদারল্যান্ডস ১৮,৩৮,৯৩৭ ১৭,৭৯৬ ১৬,৬৩,৭৮৮
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৭২,৩৪০ ৩০,৩৫৭ ১৬,৩৮,৬১১
২৩ চিলি ১৬,০৭,৭৪৯ ৩৪,৯৫৮ ১৫,৬১,৭৫৮
২৪ ইরাক ১৫,৪৩,৫০১ ১৮,২৩২ ১৪,০২,৫৩৭
২৫ ফিলিপাইন ১৫,৪৩,২৮১ ২৭,১৩১ ১৪,৬১,৭৪৯
২৬ কানাডা ১৪,২৫,৭০২ ২৬,৫৩৯ ১৩,৯৪,৬১২
২৭ বেলজিয়াম ১১,১৩,৪৬৫ ২৫,২২০ ১০,৫৫,৮৪৪
২৮ সুইডেন ১০,৯৬,৭৯৯ ১৪,৬১৫ ১০,৭৪,৭৩৫
২৯ রোমানিয়া ১০,৮২,১৮৩ ৩৪,২৬৭ ১০,৪৭,১৯৯
৩০ পাকিস্তান ১০,০১,৮৭৫ ২২,৯৭১ ৯,২৪,৭৮২
৩১ মালয়েশিয়া ৯,৯৬,৩৯৩ ৭,৯০২ ৮,৩৪,৮৫৮
৩২ পর্তুগাল ৯,৫০,৪৩৪ ১৭,২৮৪ ৮,৮০,৩৬৮
৩৩ জাপান ৮,৬২,১৪৮ ১৫,১১৬ ৮,১০,৮৮৪
৩৪ ইসরায়েল ৮,৫৯,৩০৮ ৬,৪৫৮ ৮,৪১,৩৫৪
৩৫ হাঙ্গেরি ৮,০৯,১০১ ৩০,০২০ ৭,৪৫,২৭৭
৩৬ জর্ডান ৭,৬৩,৯২২ ৯,৯৪৮ ৭,৪৬,৪০৬
৩৭ সার্বিয়া ৭,১৯,৯১৩ ৭,১০৩ ৭,০৯,৮৮৫
৩৮ সুইজারল্যান্ড ৭,১২,৬৬৮ ১০,৯০৩ ৬,৯১,৩৭৭
৩৯ নেপাল ৬,৭৯,০১৭ ৯,৬৯৫ ৬,৪১,৫৬৫
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬,৭০,১০৮ ১,৯১৬ ৬,৪৭,৬৮২
৪১ অস্ট্রিয়া ৬,৫৫,৯৩৮ ১০,৭৩১ ৬,৪০,৬৮৫
৪২ মরক্কো ৫,৭৫,১৬২ ৯,৫৫৯ ৫,৪২,০৭৮
৪৩ তিউনিশিয়া ৫,৫৮,৩০৬ ১৮,০৫২ ৪,৫৩,৮৬৫
৪৪ লেবানন ৫,৫৩,৬১৫ ৭,৮৯০ ৫,৩৫,৬৬৩
৪৫ কাজাখস্তান ৫,২২,৬৩৮ ৫,২৪৪ ৪,৪৪,২৩৯
৪৬ সৌদি আরব ৫,১৬,৯৪৯ ৮,১৫৫ ৪,৯৭,৯৬৫
৪৭ থাইল্যান্ড ৪,৮১,৯৬৭ ৩,৯৩০ ৩,২৭,৭৮৯
৪৮ ইকুয়েডর ৪,৮০,৭২০ ৩০,৭৯৭ ৪,৪৩,৮৮০
৪৯ গ্রীস ৪,৭৪,৩৬৬ ১২,৮৬৬ ৪,২৮,৮১৬
৫০ বলিভিয়া ৪,৬৭,৩৪৩ ১৭,৬১৩ ৩,৯৮,৫৯৫
৫১ প্যারাগুয়ে ৪,৪৮,৫০৮ ১৪,৫৫০ ৪,১০,২৯৭
৫২ বেলারুশ ৪,৩৯,৮২৮ ৩,৩৮৫ ৪,৩৩,৭৮২
৫৩ পানামা ৪,২৭,৯৮৭ ৬,৭৪৩ ৪,০৮,১৫৫
৫৪ বুলগেরিয়া ৪,২৩,৫৭৫ ১৮,১৯৩ ৩,৯৮,১৩২
৫৫ জর্জিয়া ৪,০০,৬৯৮ ৫,৬৬৫ ৩,৭১,৪৩৪
৫৬ কোস্টারিকা ৩,৯৮,৬০৮ ৪,৯৪১ ৩,২২,৪২৩
৫৭ স্লোভাকিয়া ৩,৯২,৩০২ ১২,৫৩৪ ৩,৭৯,৩৫৯
৫৮ কুয়েত ৩,৯০,৭৯৪ ২,২৭৩ ৩,৭৩,৫০৭
৫৯ উরুগুয়ে ৩,৮০,১৫১ ৫,৯১৯ ৩,৭১,১১৬
৬০ ক্রোয়েশিয়া ৩,৬২,৪৯৬ ৮,২৪৫ ৩,৫৩,২৩৮
৬১ গুয়াতেমালা ৩,৪৭,৪৯৬ ১০,০৬৩ ৩,০২,৪৪১
৬২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,৩৯,৬৬৯ ৩,৯৩৭ ২,৯৭,৮১৩
৬৩ আজারবাইজান ৩,৩৯,৬৪৫ ৫,০০২ ৩,৩১,৭৮২
৬৪ কিউবা ৩,২৪,১১৫ ২,২৭১ ২,৮২,২৬৭
৬৫ ফিলিস্তিন ৩,১৫,৯৬৮ ৩,৫৯৬ ৩,১১,৩৮০
৬৬ ডেনমার্ক ৩,১০,৮৭৬ ২,৫৪২ ২,৯৬,২৮২
৬৭ ভেনেজুয়েলা ২,৯৭,৭৮২ ৩,৪৫৮ ২,৮১,১৯৪
৬৮ শ্রীলংকা ২,৯৪,৮৫০ ৪,০৫৪ ২,৬৬,৬৬৫
৬৯ আয়ারল্যান্ড ২,৯১,৮৭০ ৫,০২৬ ২,৬৫,০৭১
৭০ ওমান ২,৮৯,০৪২ ৩,৪৯৮ ২,৬৩,৭৫২
৭১ হন্ডুরাস ২,৮৬,৬৩৫ ৭,৫৯৪ ৯৭,৪৩০
৭২ মিসর ২,৮৩,৯৪৭ ১৬,৪৭৭ ২,২৭,০৬৮
৭৩ লিথুনিয়া ২,৮০,৭৭৪ ৪,৪১০ ২,৬৮,৬২০
৭৪ ইথিওপিয়া ২,৭৮,২৩৩ ৪,৩৬৫ ২,৬২,৭৫০
৭৫ বাহরাইন ২,৬৮,৩৩৮ ১,৩৮১ ২,৬৬,১২৩
৭৬ মায়ানমার ২,৫৮,৮৭০ ৬,৪৫৯ ১,৭৭,০২১
৭৭ স্লোভেনিয়া ২,৫৮,৬১৯ ৪,৪২৭ ২,৫৩,৩৬২
৭৮ মলদোভা ২,৫৮,৫৮১ ৬,২৪২ ২,৫১,৪৩৭
৭৯ লিবিয়া ২,২৯,৬০৪ ৩,৩৪৪ ১,৮৫,৪৬৮
৮০ আর্মেনিয়া ২,২৮,৬৩২ ৪,৫৮৪ ২,১৮,৯৫৮
৮১ কাতার ২,২৪,৯৪৮ ৬০০ ২,২২,৭২৭
৮২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,০৫,৪২০ ৯,৬৭৫ ১,৮৮,৪৬০
৮৩ কেনিয়া ১,৯৬,৭৪৫ ৩,৮৪৯ ১,৮৫,৭৬২
৮৪ জাম্বিয়া ১,৯১,৫২৭ ৩,২৫০ ১,৮০,৫৩৫
৮৫ দক্ষিণ কোরিয়া ১,৮৭,৩৬২ ২,০৬৮ ১,৬৫,২৪৬
৮৬ নাইজেরিয়া ১,৭০,৬২৩ ২,১৩১ ১,৬৪,৭৮০
৮৭ আলজেরিয়া ১,৬০,৮৬৮ ৪,০৪২ ১,০৯,৯৫১
৮৮ কিরগিজস্তান ১,৫৬,১৫২ ২,২৩৮ ১,৩৩,৪৪৪
৮৯ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৬,০৫৪ ৫,৪৮৯ ১,৫০,২৭৩
৯০ মঙ্গোলিয়া ১,৫৫,২২৪ ৭৬৭ ১,৪৯,৫৩৩
৯১ আফগানিস্তান ১,৪৩,৬৬৬ ৬,৩৯৩ ৯১,১৭০
৯২ লাটভিয়া ১,৩৮,৪২৫ ২,৫৫০ ১,৩৫,৩২৬
৯৩ নরওয়ে ১,৩৫,৪৬৩ ৭৯৯ ৮৮,৯৫২
৯৪ আলবেনিয়া ১,৩২,৮৫৩ ২,৪৫৬ ১,৩০,১২৫
৯৫ এস্তোনিয়া ১,৩২,৩৬৮ ১,২৭১ ১,২৮,৩৯৬
৯৬ উজবেকিস্তান ১,২৩,৫৫৯ ৮২৬ ১,১৭,৯৬২
৯৭ নামিবিয়া ১,১৫,০০৯ ২,৭১৪ ৯০,৭৬১
৯৮ মোজাম্বিক ১,০৭,৩০৯ ১,২৩২ ৮২,২৯৯
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ১,০২,৬১২ ৯৭৮ ৪৬,০০০
১০০ মন্টিনিগ্রো ১,০০,৯২৯ ১,৬২৪ ৯৮,৭৭৭
১০১ ঘানা ১,০০,৭৪৭ ৮১৯ ৯৬,১১৫
১০২ বতসোয়ানা ৯৭,৬৫৭ ১,৩৭৫ ৮৪,১৮৯
১০৩ সাইপ্রাস ৯৬,২০২ ৩৯৮ ৭৬,৪৬৪
১০৪ জিম্বাবুয়ে ৯৫,৬৮৬ ২,৯৬১ ৬২,৯৮৬
১০৫ চীন ৯২,৪৯৭ ৪,৬৩৬ ৮৭,১৮০
১০৬ উগান্ডা ৯১,৭১০ ২,৪৯৬ ৭৩,০৬২
১০৭ ভিয়েতনাম ৮৬,৯৫৭ ৩৭০ ১৫,৫৩৬
১০৮ এল সালভাদর ৮৪,৬৯১ ২,৫৩৮ ৭৫,৭২৪
১০৯ ক্যামেরুন ৮২,০০৩ ১,৩৩৪ ৮০,৪৩৩
১১০ মালদ্বীপ ৭৬,৫৪৬ ২১৮ ৭৩,৭১০
১১১ লুক্সেমবার্গ ৭৩,৪১২ ৮২১ ৭১,১১৭
১১২ কম্বোডিয়া ৭২,১০৪ ১,২৫৪ ৬৪,৫৪৮
১১৩ সিঙ্গাপুর ৬৪,০৫৪ ৩৬ ৬২,৫৮৭
১১৪ রুয়ান্ডা ৬২,৩২৮ ৭১৮ ৪৪,৭৩৯
১১৫ সেনেগাল ৫৫,৮৬১ ১,২৬৪ ৪৪,৬১১
১১৬ জ্যামাইকা ৫১,৬৮৬ ১,১৬৮ ৪৬,৭৯৪
১১৭ আইভরি কোস্ট ৪৯,৪৭৩ ৩২৪ ৪৮,৭২৪
১১৮ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৪৭,৭৮৬ ১,০২১ ২৯,৩৮৯
১১৯ মালাউই ৪৭,২৬৫ ১,৪৩৯ ৩৬,০১৯
১২০ মাদাগাস্কার ৪২,৫৯০ ৯৩৯ ৪১,০১৪
১২১ অ্যাঙ্গোলা ৪১,৬২৯ ৯৮১ ৩৫,২৮৪
১২২ সুদান ৩৭,১৩৮ ২,৭৭৬ ৩০,৮৬৭
১২৩ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩৭,০৬৫ ১,০২৬ ৩০,২৫৬
১২৪ রিইউনিয়ন ৩৪,৬১৫ ২৬৬ ৩২,০৩৬
১২৫ মালটা ৩৩,৫৪১ ৪২১ ৩০,৪৪৮
১২৬ কেপ ভার্দে ৩৩,৫০৪ ২৯৭ ৩২,৬৬৩
১২৭ অস্ট্রেলিয়া ৩২,৭৫৯ ৯১৬ ২৯,৭৪৩
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৯,৫৩৩ ১৭৪ ৯,৯৯৫
১২৯ সিরিয়া ২৫,৮৫৮ ১,৯০৫ ২১,৯৩৭
১৩০ গ্যাবন ২৫,৩২৫ ১৬৩ ২৫,০৮১
১৩১ গিনি ২৪,৮৭৮ ১৯৭ ২৩,৭৩৩
১৩২ সুরিনাম ২৪,৬৮৯ ৬২৭ ২০,৯১৯
১৩৩ মৌরিতানিয়া ২৩,৩৭৮ ৫২০ ২১,১৬৮
১৩৪ ইসওয়াতিনি ২২,১৫৬ ৭৪২ ১৯,৫৭০
১৩৫ গায়ানা ২১,৮৫০ ৫১৮ ২০,৩৬৬
১৩৬ ফিজি ২১,৮২৯ ১৭২ ৫,৫২১
১৩৭ মায়োত্তে ২০,১৭৬ ১৭৪ ২,৯৬৪
১৩৮ হাইতি ১৯,৭৬২ ৫২৩ ১৩,৩৩২
১৩৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৯,২৮৫ ১৪৫ ১৮,৯৪৫
১৪০ গুয়াদেলৌপ ১৭,৭৭৯ ২৩৮ ২,২৫০
১৪১ সিসিলি ১৭,৭৪৭ ৮৯ ১৬,৮৮৯
১৪২ পাপুয়া নিউ গিনি ১৭,৫৮১ ১৯২ ১৭,১৭৭
১৪৩ মার্টিনিক ১৫,৬১২ ৯৯ ১০৪
১৪৪ তাইওয়ান ১৫,৫৫৮ ৭৮৬ ১৩,৭৯৫
১৪৫ সোমালিয়া ১৫,১৮০ ৭৮১ ৭,২৭৭
১৪৬ টোগো ১৪,৯৭০ ১৪৩ ১৩,৯৮৬
১৪৭ মালি ১৪,৫৩২ ৫৩০ ১৩,১১৯
১৪৮ এনডোরা ১৪,৪৯৮ ১২৭ ১৩,৯৮৮
১৪৯ তাজিকিস্তান ১৪,৪২৭ ১১৬ ১৩,৯৬৪
১৫০ বেলিজ ১৩,৯১৭ ৩৩২ ১৩,২১৯
১৫১ বাহামা ১৩,৭৮১ ২৭৪ ১২,১৫৮
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৫৩৮ ১৬৯ ১৩,৩৫৫
১৫৩ কিউরাসাও ১৩,১৩৫ ১২৬ ১২,৩৫২
১৫৪ কঙ্গো ১৩,১১৭ ১৭৬ ১১,৭৫৯
১৫৫ লেসোথো ১২,৭৮৭ ৩৫৭ ৬,৬২১
১৫৬ হংকং ১১,৯৭৬ ২১২ ১১,৬৯৬
১৫৭ জিবুতি ১১,৬৩৪ ১৫৫ ১১,৪৬৬
১৫৮ আরুবা ১১,৩২৫ ১০৯ ১১,০৫৮
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ১০,৯১৭ ১১৭ ১০,৫১৪
১৬০ পূর্ব তিমুর ১০,২৮১ ২৬ ৯,৫২৯
১৬১ নিকারাগুয়া ৯,১০৮ ১৯৪ ৪,২২৫
১৬২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৮,৮৬৩ ১২৩ ৮,৬৩৭
১৬৩ চ্যানেল আইল্যান্ড ৮,৪২৭ ৮৬ ৫,১৮২
১৬৪ বেনিন ৮,৩২৪ ১০৭ ৮,১২৫
১৬৫ গাম্বিয়া ৭,১৬১ ১৯৭ ৬,০৮০
১৬৬ আইসল্যান্ড ৭,১৪৮ ৩০ ৬,৬৫৫
১৬৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭,১৪৭ ৯৮ ৬,৮৫৯
১৬৮ ইয়েমেন ৭,০০৩ ১,৩৭২ ৪,১৬৩
১৬৯ ইরিত্রিয়া ৬,৪৯১ ৩৩ ৬,২৪৯
১৭০ সিয়েরা লিওন ৬,২০৬ ১১৮ ৪,২০৭
১৭১ বুরুন্ডি ৬,১২৮ ৭৭৩
১৭২ নাইজার ৫,৫৯৬ ১৯৫ ৫,২৯৬
১৭৩ সেন্ট লুসিয়া ৫,৫১৬ ৮৮ ৫,৩১৯
১৭৪ লাইবেরিয়া ৫,৩৯৬ ১৪৮ ২,৭১৫
১৭৫ সান ম্যারিনো ৫,০৯৯ ৯০ ৫,০০২
১৭৬ চাদ ৪,৯৬৭ ১৭৪ ৪,৭৮০
১৭৭ জিব্রাল্টার ৪,৭৮০ ৯৪ ৪,৩৭১
১৭৮ লাওস ৪,৬২০ ২,১৭৪
১৭৯ বার্বাডোস ৪,৩৩০ ৪৮ ৪,১৫৬
১৮০ গিনি বিসাউ ৪,১৪৮ ৭৪ ৩,৭৭৮
১৮১ কমোরস ৪,০১৪ ১৪৭ ৩,৮৪৯
১৮২ আইল অফ ম্যান ৩,৬৪৯ ২৯ ১,৬৩৮
১৮৩ মরিশাস ৩,৩৮৮ ১৯ ১,৮৫৪
১৮৪ লিচেনস্টেইন ৩,০৭৫ ৫৯ ২,৯৯৭
১৮৫ নিউজিল্যান্ড ২,৮৫৫ ২৬ ২,৭৪৯
১৮৬ মোনাকো ২,৭৫৭ ৩৩ ২,৬১৭
১৮৭ সিন্ট মার্টেন ২,৭০৭ ৩৪ ২,৬২৪
১৮৮ বারমুডা ২,৫৩৮ ৩৩ ২,৪৮৮
১৮৯ সেন্ট মার্টিন ২,৪৮১ ৩৮ ১,৩৯৯
১৯০ ভুটান ২,৪৭০ ২,২১৫
১৯১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪৬২ ১৮ ২,৪১৭
১৯২ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৩৮৯ ২৫ ১,২৫৫
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২,২৭১ ১২ ২,১৯৯
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৬৯১ ১৭ ৬,৪৪৫
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৮০ ৪৩ ১,২২৯
১৯৬ সেন্ট বারথেলিমি ১,০০৫ ৪৬২
১৯৭ ফারে আইল্যান্ড ৯৫৮ ৮৭৭
১৯৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৯ কেম্যান আইল্যান্ড ৬৩৬ ৬২০
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৫৬৩ ৫২৭
২০১ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
২০২ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০৩ ব্রুনাই ৩২১ ২৬৯
২০৪ ডোমিনিকা ২০৯ ১৯৬
২০৫ গ্রেনাডা ১৬৪ ১৬১
২০৬ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৩১ ৫৮
২০৭ এ্যাঙ্গুইলা ১১৩ ১১১
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৮৯ ৫৯
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২১০ ম্যাকাও ৫৮ ৫৩
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৮ ২৬
২১২ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৩ মন্টসেরাট ২১ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]