ভুল চিকিৎসায় পা কাটা পড়ল রোগীর, থানায় অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশিত: ০৪:১৪ পিএম, ৩১ মে ২০২১

ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে রোগীর পা কেটে ফেলতে হয়েছে, এমন অভিযোগ এনে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার ফাতেমা ক্লিনিকের মালিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

আলমডাঙ্গার পোলতাডাঙ্গা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে ভুক্তভোগী টিটন হোসেন বাদী হয়ে সোমবার (৩১ মে) সকালে এ অভিযোগ দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, দুই মাস আগে সড়ক দুর্ঘটনায় পায়ের হাড় ভেঙে যায় টিটন হোসেনের (২৯)। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে আলমডাঙ্গার ফাতেমা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওই সময় ক্লিনিক মালিক তার পায়ের পাতা থেকে পুরো পা ব্যান্ডেজ করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তিনদিন পর আসতে বলেন অপারেশন করতে। বাড়ি গিয়ে দুই দিনের মাথায় পায়ে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হলে আবার ফাতেমা ক্লিনিকে নেয়া হয় টিটনকে। ওই সময় ক্লিনিক মালিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু তাকে রাজশাহী গিয়ে বড় ডাক্তার দিয়ে অপারেশন করাতে বলেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন টিটন। সেখানে চিকিৎসকরা ব্যান্ডেজ খুলে দেখেন পায়ের মাংস পচে গেছে। অবশেষে চিকিৎসকরা উপায়ান্তর না পেয়ে পা কেটে ফেলতে বাধ্য হন। তবে প্রথমেই ভেঙে যাওয়া পা ভালোভাবে ড্রেসিং করে ব্যান্ডেজ করা হলে এমনটা হতো না বলে চিকিৎসকরা জানান।

রাজশাহী থেকে বাড়ি ফিরে এ ঘটনা ক্লিনিক মালিককে জানালে তিনি ক্ষতিপূরণ হিসেবে আজীবন সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি তিনি রাখেননি। বাধ্য হয়ে গত ১৭ এপ্রিল তার ক্লিনিকে উপস্থিত হলে ক্ষিপ্ত হয়ে ভুক্তভোগী টিটনকে তাড়িয়ে দেন ক্লিনিক মালিক। পরে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন টিটন।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবীর বলেন, ওই ঘটনায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী টিটিন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সালাউদ্দীন কাজল/এসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।