গোমতীর বেড়িবাঁধে গাছে গাছে কাঁঠাল

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুমিল্লা
প্রকাশিত: ০৬:১৪ পিএম, ০২ জুন ২০২১

কুমিল্লার দেবিদ্বারের গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ যেন এখন কাঠালের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। ডানে কাঁঠাল, বামে কাঁঠাল, ওপরেও কাঁঠাল। চারদিকে যেন কাঁঠালের ছড়াছড়ি।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোমতী নদীর বেড়িবাঁধজুড়ে সারি সারি কাঁঠাল গাছ। সেই গাছে থরে থরে ঝুলছে কাঁঠাল। গাছের গোড়া থেকে মগডাল পর্যন্ত ঝুলে আছে কাঁঠাল। গালা ও খাজা দুই জাতের কাঁঠালই পাওয়া যায় এখানে। তবে শুধু কাঁঠালই নয়, গ্রীষ্মে তাল, আম, পেঁপেসহ নানা ফলের সমাহার ঘটেছে এ এলাকায়।

বেড়িবাঁধ ঘেঁষা গ্রাম সদর উপজেলার পালপাড়া, বুড়িচংয়ের ষোলনল, শিমাইল খাড়া, বালিখাড়া, ধামতী, রামনগর, হুরহুড়া, কামারখাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দু’পাশের ঢালু জায়গায় শত শত কাঁঠাল গাছ। প্রতিটি গাছেই ঝুলছে কাঁঠাল। কোনো কোনো গাছে ৫০টি, কোনোটিতে ৩০টির আবার কোনো গাছে ধরে রয়েছে ১০ বা তার কমবেশি কাঁঠাল।

jagonews24

জানা যায়, কাঁঠালসহ মৌসুমি বিভিন্ন ফল এখন নগরীর বাজারসমূহে বিক্রি হচ্ছে। খেতে সুস্বাদু ও টাটকা এসব ফলের চাহিদা বাজারে রয়েছে প্রচুর।

শিমাইলখাড়া গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ১৭টি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। প্রচুর কাঁঠাল ধরে গাছগুলোতে। আমরা কিছু কাঁঠাল বিক্রি করি, কিছু খাই ও কিছু মানুষকে বিলিয়ে দেই’।

ষোলনল গ্রামের জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘এবার কাঁঠাল বেশি ধরলেও তেমন একটা বড় হয়নি। বৃষ্টিপাত কম হলে এমন সমস্যা হয়। তবে ফলন ভালো হয়েছে’।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর কুমিল্লার উপ-পরিচালক ড. মিজানুর রহমান জানান, কুমিল্লার সব উপজেলাতেই কাঁঠালের আবাদ হয়। এরমধ্যে বেশি আবাদ হয় লালমাই পাহাড় ও গোমতীর বেড়িবাঁধে। কুমিল্লার কাঁঠাল দেরিতে পাকে, তাই প্রথমদিকে কিছু কাঁঠাল বাইরের জেলায় আসে। কুমিল্লায় যে পরিমাণ কাঁঠাল উৎপাদিত হয়, তা জেলার চাহিদা মেটাতে সক্ষম।

এসএমএম/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।