বিরামপুরের জামাই হলেন রেলমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: ১২:৩৪ পিএম, ১১ জুন ২০২১ | আপডেট: ০৩:০২ পিএম, ১১ জুন ২০২১

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার জামাই হলেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বিরামপুর উপজেলার নতুন বাজার এলাকার অ্যাডভোকেট শাম্মী আকতার মনিকে (৪২) বিয়ে করেছেন।

শাম্মী আকতার মনির বাবার নাম মরহুম আব্দুর রহিম। তার দুই ভাইয়ের একমাত্র বোন তিনি।

গত ৫ জুন শনিবার ইসলামী শরিয়াহ ও সরকারি আইন মেনে ঢাকায় হেয়ার রোডে মন্ত্রীর সরকারি বাসভবন তন্ময়ে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

শুক্রবার (১১ জুন) সকালে বিরামপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র লিয়াকত আলী টুটুল বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শাম্মী আকতার মনির বড় ভাই মো. জাহিদুল ইসলাম মিলনও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জাহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, আমার বোন শাম্মী ঢাকার উত্তরায় থাকে। সে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করছে। আইনি বিষয়ে পরমার্শ নিতে কিছুদিন আগে রেলমন্ত্রীর কাছে যায় আমার বোন। পরে আমার বোনকে মন্ত্রীর পছন্দ হয়। পারিবারিকভাবে ৫ জুন তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে বরপক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিরামপুরের বিচারপতি ইজারুল হক ও তার স্ত্রী। কনে পক্ষে আমি ও আমার ভাই উপস্থিত ছিলাম।

তবে কত টাকা দেনমোহর ধার্য হয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি।

আইন পেশার পাশাপাশি ঢাকায় ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজে শাম্মী আকতার শিক্ষকতাও করেন।

বিরামপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র লিয়াকত আলী টুটুল জানান, আলোচনা ঢাকা থেকে শুরু হলেও তিনি ঘটকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রসঙ্গত, নূরুল ইসলাম সুজনের স্ত্রী নিলুফার জাহান ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মারা যান। তাদের এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। তিন সন্তানেরই বিয়ে হয়েছে। ৬৫ বছর বয়সী নূরুল ইসলাম ১৯৫৬ সালের ৫ জানুয়ারি পঞ্চগড়ে জন্মগ্রহণ করেন।

পঞ্চগড়-২ (বোদা-দেবীগঞ্জ) আসন থেকে নবম, দশম এবং একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৮ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর হন রেলমন্ত্রী।

নূরুল ইসলাম সুজন পেশায় সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলারও একজন আইনজীবী ছিলেন।

এমদাদুল হক মিলন/এমএইচআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]