নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিএনজির দাপট

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুমিল্লা
প্রকাশিত: ০৬:২১ পিএম, ২৪ জুলাই ২০২১

করোনা বিস্তার রোধে দেশব্যাপী চলছে ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। তবে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার অংশে জরুরি পরিবহন ছাড়াও যাত্রী নিয়ে অবাধে চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা।

শনিবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৪টার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কয়েকটি স্থানে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিধিনিষেধের প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে সড়কে যাত্রী ও সিএনজির সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ।

সকাল থেকেই চৌদ্দগ্রাম বাজার থেকে ফেনী-কুমিল্লা রুটে অবাধে অটোরিকশায় ভাড়ায় যাত্রী নিচ্ছেন চালকরা। এ ক্ষেত্রে চার-পাঁচগুণেরও বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে যাত্রীদের থেকে। এ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডাও করতেও দেখা গেছে চালকদের।

jagonews24

চৌদ্দগ্রাম বাজার থেকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে পর্যন্ত প্রত্যেক যাত্রীকে দিতে হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকা। আর ফেনী শহর বা মহিপাল পর্যন্তও একই ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া বেশি ভাড়ায় প্রাইভেটকার ও কাভার্ডভ্যানে যাত্রী তুলতে দেখা গেছে। এ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একাধিক যাত্রী।

সাইফুল ইসলাম নামের এক যাত্রী বলেন, ‘প্রায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছি। ফেনীতে যাব। সিএনজিতে ভাড়া চাচ্ছে ২০০ করে। বাধ্য হয়ে এ ভাড়া দিয়েই যেতে হবে বলে মনে হচ্ছে।’

jagonews24

তাবারক উল্লাহ নামে আরেক যাত্রী বলেন, ‘কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে চৌদ্দগ্রামে আসতে জন প্রতি ২০০ টাকা করে ভাড়া দিতে হয়েছে। সিএনজি চালকরা আমাদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। এদের নৈরাজ্য দেখার কেউ নেই।’

তবে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আনিছুর রহমান বলেন, ‘জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পারাপার করছি। তাই ভাড়ার পরিমাণ একটু বেশি নিচ্ছি।’

jagonews24

এ বিষয়ে মিয়া বাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে প্রথম দিন থেকেই মহাসড়কে পুলিশ তৎপর রয়েছে। মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামের বাবুর্চি বাজার এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা আটকে দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া যাত্রী বহনকারী পরিবহন আমাদের চোখে পড়েনি। যদি দেখতে পাই অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় কঠোর বিধিনিষেধ। আগামী ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে এ বিধিনিষেধ।

জাহিদ পাটোয়ারী/এসজে/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]