চা বাগানে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৬, বন্ধ কাজ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মৌলভীবাজার
প্রকাশিত: ০৬:৩৫ পিএম, ২৭ জুলাই ২০২১

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চা বাগানের দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ছয়জন আহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকে চা বাগানে কাজ বন্ধ রেখেছেন শ্রমিকরা।

এর আগে সোমবার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার পাত্রখোলা চা বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ন্যাশনাল টি কোম্পানির (এনটিসি) পাত্রখোলা চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন ও বর্তমান কমিটির সভাপতি শিপন চক্রবর্তীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলমান রয়েছে। এর জের ধরে সোমবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এলাকার আব্দুল মতিন জানান, চা শ্রমিক নারীরা ঘরের জন্য টিন দিতে বাগানের পঞ্চায়েতের সাবেক সম্পাদক মোবারক হোসেন স্টোরকিপার অমর মিয়াকে বলেন। বিষয়টি শিপন চক্রবর্তী জানতে পারলে মোবারক ও শিপনের মধ্যে ফোনে কথা কাটাকাটি হয়। পরে মোবারক হোসেনের বাসার সামনে দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে বাগানের পোস্টঅফিস লাইন এলাকায় মোবারক হোসেন (৫২), তার স্ত্রী আছমা বেগম (৪২), মেয়ে লুৎফুন্নাহার (১৭) ও চা শ্রমিক জীবন উরাং (২৬) আহত হন।

পরে দ্বিতীয় দফায় বাজার লাইনে সংঘর্ষে কিষান অলমিক (২২), মধু কর্মকার (৪৬) আহত হন। গুরুতর আহত মধু কর্মকারকে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ও কিষান অলমিককে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যরা কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার শ্রমিকরা বাগানে কোনো কাজ করেনি।

অভিযোগ করে শ্রমিক নেতা মোবারক হোসেন বলেন, ’শিপন গ্রুপের সদস্যরা আমার বসতবাড়িতে এসে হামলা চালায়। আমাকে ও আমার স্ত্রী, মেয়েকে পিটিয়ে আহত করেছে।’

পাল্টা অভিযোগ করে শিপন চক্রবর্তী বলেন, ‘মোবারক হোসেন ও তার দলবল নিয়ে আমার বাড়িতে এসে হামলা করে দু’জনকে গুরুতর জখম করেছে।’

পাত্রখোলা চা বাগান ব্যবস্থাপক মো. শামসুল ইসলাম জানান, আসলে তাদের দীর্ঘদিনের এই সমস্যা। কিছুদিন আগেও তাদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার বাগানে কাজ বন্ধ শ্রমিকরা।

আব্দুল আজিজ/এসজে/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]