গ্রেনেড হামলা: শেখ হাসিনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে চান বাদী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৯:৫৮ পিএম, ২১ আগস্ট ২০২১

২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৪ জন। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন তৎকালীন মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ। এ হামলা মামলার বাদীও তিনি। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর শরীফপাড়ায়।

হামলার ঘটনা বর্ণনা দিয়ে ফারুক আহমেদ বলেন, ওই দিন গোপালগঞ্জের ছাত্রলীগ নেতা তুষার হত্যা ও সিলেটে বোমা হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ করেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা। বক্তব্য দেয়া শেষে তিনি যখন সিঁড়ি থেকে নামছিলেন তখনই বিকট শব্দে একটি গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। পরবর্তীতে বেশ কিছু গ্রেনেড আশপাশে বিস্ফোরিত হয়।

তিনি আরও বলেন, গ্রেনেডের শব্দ শেষে শুরু হলো গুলি। যা দেখি সেটি বিভীষিকা। চারদিকে আর্তনাদ, গোঙানি। রক্তাক্ত পড়ে আছে বহু নারী পুরুষ। কে জীবিত কে মৃত বোঝা মুশকিল। সেদিনের সেই গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের তৎকালীন মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং কয়েকশ আহত হন।

ফারুক আহমেদ বলেন, এ ঘটনার পর আমি হতাহতদের ভ্যান ও রিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিই। মৃতদের সবার ইনকোয়েস্ট রিপোর্ট আমি করি। পরদিন সকালে ময়নাতদন্ত শেষে সবার মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে থানায় যাই। তখন ওসি সব কর্মকর্তাদের ডেকে মামলা করার বিষয়টি জানান। কিন্তু কেউ তখন মামলা করতে রাজি হচ্ছিল না। আমি নিজ ইচ্ছায় মামলার বাদী হই।

তিনি বলেন, মামলার বিচার হয়েছে রায়ও হয়েছে। কিন্তু আসামি বিদেশে রয়েছে। তাদের দেশে এনে বিচার কাজ শেষ হবে এমনটাই প্রত্যাশা করি। তবে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে সেটা যদি সুযোগ পাই তাহলে একমাত্র প্রধানমন্ত্রীকে বলতে পারব।

মেহেদী হাসান/এসজে/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]