জেলের জালে ৪০০ কেজির শাপলাপাতা মাছ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট
প্রকাশিত: ০৯:০৮ পিএম, ২৪ আগস্ট ২০২১

বাগেরহাটে মৎস্য বাজারে বিশালাকৃতির একটি শাপলাপাতা মাছ বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে। এর ওজন ১০ মণ। মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) সকালে বাগেরহাট শহরের কেবি বাজারে জেলেরা মাছটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন।

বিশালাকৃতির মাছটি দেখতে মৎস্য বাজারে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। কেবি বাজারের অনুপ কুমার বিশ্বাসের আড়তে উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি করা হয়।

মাছ ব্যবসায়ী জাফর ও জাকির সরদার ৪৮ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন। পরে বাগেরহাট সদর উপজেলার খানজাহান আলী মাজার মোড় সংলগ্ন হাটে ৩৫০ টাকা কেজিদরে তারা মাছটি কেটে বিক্রি করা শুরু করেন।

পাঁচদিন আগে সুন্দরবন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে বিশালাকৃতির এ মাছটি ধরা পড়ে।

মাজার মোড় সংলগ্ন বাজারে আসা কেরামত আলী বলেন, মাইকে ১০ মণ ওজনের মাছ বিক্রির কথা শুনলাম। বাজারে এসে দুই কেজি কিনলাম। তবে পুরো মাছটি দেখতে পারিনি।

Fish.jpg

আড়তের মালিক অনুপ কুমার বিশ্বাস বলেন, পাথরঘাটার মাছ ব্যবসায়ী মাসুম কোম্পানির জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। সকালে আমার আড়তে ৪৮ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এতো বড় মাছ খুব কম পাওয়া যায়।

মাছ ব্যবসায়ী জাকির বলেন, শাপলাপাতা মাছ খেতে খুবই সুস্বাদু। সাধারণত এক থেকে তিন মণ ওজনের মাছ প্রায়ই পাওয়া যায়। যেগুলো খুচরা বাজারে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে আমরা বিক্রি করি। এটি যেহেতু অনেক বড় তাই ৩৫০ টাকা কেজিদরে বিক্রি করছি। আসা করি বিকেল নাগাদ সব মাছ বিক্রি হয়ে যাবে।

কেবি বাজার আড়তদার সমিতির সভাপতি আবেদ আলী বলেন, মাঝে মধ্যে জেলেদের জালে বড় মাছ ধরা পড়ে। সকালে বিক্রি হওয়া শাপলাপাতা মাছটির ওজন অন্তত ১০ মণের মতো হবে। এর আগেও ২৭ কেজি ওজনের একটি কৈয়া ভোল মাছ কেবি বাজারে নিয়ে এসেছিলেন জেলেরা। দেড় লক্ষাধিক টাকায় মাছটি বিক্রি হয়।

শওকত আলী বাবু/এসআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]