হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানির সময় বাড়লো

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক বিরামপুর (দিনাজপুর)
প্রকাশিত: ০২:০৭ পিএম, ০৭ অক্টোবর ২০২১

হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানির সময় বাড়ানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা বেশি কার্যক্রম চলবে বন্দরে। পূজার বন্ধের আগেই পণ্যবাহী ট্রাকের জট কমাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যা কার্যকর হয়েছে বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) থেকে। ফলে প্রতিদিন সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত দুই দেশের বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলবে। এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলতো।

বাংলাহিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র জামিল হোসেন মুঠোফোনে জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আমদানি-রপ্তানি নিয়ম অনুসারে আমাদের এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এছাড়াও ভারতের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর জন্য একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

জামিল হোসেন বলেন, পূজার দীর্ঘ ছুটি এবং কাঁচামালবাহী ভারতের ট্রাকগুলো দ্রুত সময়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করাতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে ভারতের ভেতরে জট কমবে এবং দেশীয় কাঁচামরিচ-পেঁয়াজে অনেকটা প্রভাব মুক্ত হবে।

এর আগে সময় বাড়াতে বুধবার (৬ অক্টোবর) ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাহিলি কাস্টম সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনকে একটি চিঠি দেওয়া হয়।

ভারতের হিলি এক্সপোর্ট অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুব্রত সাহা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পতিরাম থেকে হিলি পর্যন্ত রাস্তার পাশে পূজামণ্ডপ নির্মাণ করা হচ্ছে। এ কারণে সময়মতো পণ্যবোঝাই ট্রাক সীমান্তের শূন্যরেখায় পৌঁছাতে পারছে না। যথা সময়ে বাংলাদেশে রপ্তানি না হলে কাঁচামরিচ-পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য ট্রাকেই নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণে ৭-৯ অক্টোবর ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পণ্য রপ্তানির সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়।

বাংলাহিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি বাংলাদেশের সিঅ্যান্ডএফ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। আজ থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা হবে।

মো.মাহাবুর রহমান/জেডএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।