পাঁচ মণের শাপলাপাতা বিক্রি হলো ৬০ হাজারে
বরগুনার আমতলী মাছের বাজারে ২০০ (পাঁচ মণ) কেজির বিশালাকৃতির একটি শাপলাপাতা মাছ ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। বুধবার (৩ নভেম্বর) সকালে মাছটি বিক্রি করার জন্য মাইকিং করা হয়। পরে কেটে ৩০০ টাকা কেজি দরে মাছটি বিক্রি করেন ব্যবসায়ী রফিকুল।
মৎস্য আড়ত সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) কুয়াকাটার মহিপুর থেকে মাছটি বিক্রির জন্য আমতলীতে নিয়ে আসেন ওবায়দুল নামের এক জেলে। আমতলীর হিজবুল্লাহ মৎস্য আড়তের মালিক মিনহাজ উদ্দিন মাছটি কিনে নেন। এরপর খুচরা মাছ বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম ৫৫ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।
ক্রেতা জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুপুরের দিকে মাইকিংয়ে শুনলাম বড় একটি শাপলাপাতা মাছ বিক্রি হবে। তাই চলে এলাম। এর আগে কখনো এতো বড় শাপলাপাতা মাছ দেখিনি। এসে দেখলাম অনেকেই কিনছে। তাই দুই কেজি কিনে নিলাম।
আরেক ক্রেতা ইমরান হোসেন বলেন, এর আগে কখনো শাপলাপাতা মাছ খাইনি। এতো বড় মাছ দেখে লোভ সামলাতে পারলাম না। তাই আমিও কিনলাম।
মাছ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, শাপলাপাতা মাছের অনেক চাহিদা রয়েছে। তবে এতো বড় মাছ গত পাঁচ ছয় বছরে আমার চোখে পড়েনি। সাগরে মাছ ধরার সময় জেলেদের জালে এটি ধরা পড়ে। বুধবার সকালে ৩০০ টাকা কেজি দরে মাছটি কেটে কেটে বিক্রি করেছি।
বরগুনা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জাগো নিউজকে বলেন, শাপলাপাতা মাছ খেতে সুস্বাধু। এতে ওমেঘা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এটি শিশুর মস্তিস্ক গঠন ও মেধা বিকাশ ত্বরান্বিত করে। তবে শাপলাপাতা মাছটি বিলুপ্তির পথে। এ মাছ ধরা এবং বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা এ ধরনের মাছ ধরতে জেলেদের নিরুৎসাহিত করি।
এসআর