জলবায়ু নিয়ে সাগরের মোহনায় একদল তরুণ-তরুণীর প্রতীকী অনশন
বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৬ এ উপকূলের দাবি নিশ্চিতকল্পে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় প্রতীকী অনশন করেছেন একদল তরুণ-তরুণী।
সোমবার (৮ নভেম্বর) দুপরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাগোনারী, উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশে কর্মজোট (ক্লিন) এবং এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এপিএমডিডি) যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
প্রতীকী অনশনে বরগুনার তিনটি যুব সংগঠন- বিডি ক্লিন বরগুনা, ঈশানা নারী ফাউন্ডশেন ও কোস্টাল ইয়ুথ নেটওয়ার্ক (সিওয়াইএন) অংশ নেয়।
এ সময় তারা অবিলম্বে কয়লাসহ জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগ বন্ধ করা, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জলবায়ু বিপদাপন্নের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশকে সহায়তা করা, ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার দাবি জানায়।
৩১ অক্টোবর স্কটল্যান্ডের রাজধানী গ্লাসগোতে জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। চলবে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চারটি মূল দাবি তুলে ধরেন।
দাবিগুলো হলো- কার্বন নির্গমন শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা গ্রহণ করা, উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে নবায়নযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রযুক্তি দিয়ে সহায়তা করা এবং জলবায়ু উদ্বাস্তু ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ধ্বংসরে দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করা।
জাগোনারীর প্রতিনিধি তাজমেরী জাহান লিখন বলেন, কয়লার ব্যবহার পরিবেশের ওপর ও মানুষরে জীবন যাত্রার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে তাই কয়লার ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে।
বিডি ক্লিন বরগুনার আয়শা সিদ্দিকা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। যেন পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে।
যুব নেতা অর্পিতা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিকি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে পৃথিবীর তাপমাত্রা সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
কোস্টাল ইয়থ নেটওয়ার্কের প্রতিনিধি মহিউদ্দিন অপু বলনে, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে জীবন যাত্রার মান উন্নত করতে হবে।
এসজে/এমএস