চুয়াডাঙ্গায় নৌকা-আনারসের অফিস ভাঙচুর
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে খাসকররা ইউনিয়নের রামদিয়া ও কাবিলনগর গ্রামের নৌকা প্রতীকের দুটি অফিসে এ হামলা চালানো হয়েছে।
প্রতিপক্ষের লোকজন মোটরসাইকেল নিয়ে পৃথক দুই অফিসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান রুন্নু।
অপরদিকে আনারস প্রতীকের সমর্থক তালুকররা গ্রামের শাহাবুলের দোকানে রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রতিপক্ষরা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ করেন আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী তাফসির আহম্মেদ মল্লিক লাল। নৌকা প্রতীকের লোকজন নিজেরা নিজেদের অফিস ভাঙচুর করে অন্যের উপর দায় চাপানোর পরিকল্পনা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় দু’পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ শান্ত করে।
আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান রুন্নু অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুই মোটরসাইকেলে করে চারজন লোক এসে রামদিয়া গ্রামে আমার নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এছাড়া লাটাহাম্বারে (স্যালোইঞ্জিন চালিত যানবাহন) বেশ কয়েকজন গিয়ে কাবিলনগরের অফিস ভাঙচুর করে।
অপরদিকে আনারস প্রতীকের প্রার্থী তাফসির আহম্মেদ মল্লিক লাল অভিযোগ করে বলেন, তালুকররা গ্রামে আমার সমর্থক শাহাবুলের মুদি দোকানে পোস্টার টাঙানো ছিলো। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেখানে গিয়ে আনারসের পোস্টার কেন রাখা হয়েছে জানতে চান নৌকার প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান রুন্নু। শাহাবুল তার জবাবে আনারস সমর্থন করেন বলে জানালে রুন্নুর ভাতিজা তুষারের নেতৃত্বে তাকে মারধর করা হয়। ভাঙচুর করা হয় দোকান। এরপর তারা তালুকররা গ্রামের রবিউল ইসলামের বাড়ির সামনে গিয়ে আনারসের পোস্টার ছিঁড়ে দেন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর দু’পক্ষেরই সমর্থকরা জড়ো হতে থাকে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের শান্ত করে বাড়ি ফেরার পরামর্শ দেন।
আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে নৌকা ও আনারস প্রতীকের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এ ব্যাপারে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।
সালাউদ্দীন কাজল/এফএ/এমএস