২০ গ্রামের দুঃখ ‘বড়রিয়া ব্রিজ’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাগুরা
প্রকাশিত: ০৫:২৩ পিএম, ৩০ নভেম্বর ২০২১

মাগুরায় বড়রিয়া খালের ওপর নির্মিত জরাজীর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে ২০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। এতে করে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বড়রিয়া গ্রামে মধুমতি-নবগঙ্গা সেচ প্রকল্পের আওতায় খননকৃত এমডি-২ (ড্রেনেজ) খালের ওপর ১৯৯২ সালে নির্মিত ব্রিজটির মাঝের স্ল্যাব ও রেলিং ভেঙে গেছে। এতে গত প্রায় দুই বছর ধরে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে উঠছে ব্রিজটি। এতে করে বড়রিয়া, কলমধারী, ছোটকলমধারী, শ্রীপুর, মৌশা, নিখড়হাটা ও গোপীনাথপুরসহ ২০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

jagonews24

বিকল্প পথ না থাকায় বাধ্য হয়ে অটোরিকশা, ভ্যান, সিএনজি, নছিমন ও মোটরসাইকেল ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। রোগী, বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থী ও কৃষকদের মাঠ থেকে ফসল বাড়িতে আনা ও বিক্রির জন্য হাটবাজারে নেওয়ার ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জন গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামত না হলে যে কোনো সময় ব্রিজটি ধ্বসে পড়েতে পারে।

মৌশা গ্রামের আবুল হোসেন মোল্যা বলেন, ব্রিজের মাঝখানে ভাঙা হওয়ার কোনো অ্যাম্বুলেন্স তো দূরের কথা ভ্যান বা অটো করে রোগী নেওয়াও কঠিন। আমরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে আছি। ব্রিজটি দ্রুত মেরামত করা দরকার।

jagonews24

বড়রিয়া গ্রামের কৃষক হাফিজার রহমান বলেন, অনেকদিন ধরেই ভাঙা ব্রিজের কারণে মাঠ থেকে ফসল বাড়ি আনতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়। ব্রিজটি মেরামত হলে সহজে ফসল আনতে ও হাট-বাজারে নিতে পরতাম।

এ বিষয়ে বালিদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পান্নু মোল্যা জানান, এ ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের হাজার-হাজার মানুষ, স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে।

jagonews24

মাগুরা এলজিডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে ব্রিজের ডিজাইন করেছি এ অর্থবছরের মধ্যে কাজ শুরু করতে পারবো বলে আশা করছি।

আরএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]