‘মজাচ্ছলে’ বিশেষ অঙ্গে লাথি, ঘটনাস্থলেই দিনমজুরের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০১:০২ পিএম, ০২ ডিসেম্বর ২০২১

বগুড়ায় শমসের আলী (৫২) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় জড়িত একমাত্র আসামি মো. মোস্তফাকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ডালিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মোস্তফা ডিমলা উপজেলার বাইশপুকুর এলাকার সাহাবুল্ল্যাহর ছেলে।

বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন এসব তথ্য জানান।

এর আগে গত ২৯ জুন সন্ধ্যা ৬টার দিকে বগুড়া সদরের মম ইন পার্কের পেছনে করতোয়া নদীর কিনারা থেকে হাত বাঁধা ও গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় শমসেরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শমসের ডিমলা উপজেলার ছাতুনামা এলাকার মৃত নহর উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন জানান, গ্রেফতার মোস্তফা এবং শমসের অনেক দিন ধরে বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলায় ধানের জমিতে কাজ করতেন। গত জুন মাসে তারাসহ ৭-৮ জন বগুড়ায় এসে মাটিডালী ঠান্ডুর স-মিলে রাতে ঘুমাতেন এবং দিনের বেলায় বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করতেন। গত ২৮ জুন মোস্তফা ও শমসের যথারীতি শাখারিয়া ইয়নিয়নের কবিরাজপাড়া গ্রামে যার যার কাজে বের হয়ে যান। কাজ শেষে সন্ধ্যার দিকে তারা স-মিলের দিকে ফেরার পথে মম ইন পার্কের পিছনে করতোয়া নদীর ধারে তাদের দেখা হয়।

এ সময় তারা হাসি-ঠাট্টাসহ বিভিন্ন মজার আলাপ করতে থাকেন। হাসি-ঠাট্টার এক পর্যায়ে মোস্তফা সজোরে ডান পা দিয়ে শমসেরের গোপনাঙ্গে লাথি মারেন। আঘাতের ফলে শমসের মাটিতে পড়ে যান এবং তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, পরে মোস্তফা লাইননের রশি দিয়ে মৃত শমসেরের হাত বাঁধে এবং গলায় থাকা গামছা পেঁচিয়ে মরদেহ সেখানে ফেলে চলে আসেন। পরদিন লোকজন শমসেরের মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দিলে উদ্ধার করে। পরে সদর থানায় মামলা হলে পিবিআই তদন্ত শুরু করে হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং মূল আসামিকে গ্রেফতার করে।

এফএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]