দিনভর বৃষ্টিতে উত্তাল নদী, নোয়াখালীতে নৌচলাচল বন্ধ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৩:৪৬ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’-এর প্রভাবে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াসহ উপকূলীয় এলাকায় প্রচণ্ড বাতাস, বৃষ্টি ও নদী উত্তাল থাকায় অভ্যন্তরীণ সব রুটে নৌচলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে হাতিয়া-ঢাকা, হাতিয়া-চট্টগ্রাম, নলচিরা-চেয়ারম্যান ঘাট, তমরদ্দি-চেয়ারম্যান ঘাট, জাহাজমারা-চেয়ারম্যান ঘাট ও চরচেঙ্গা-চেয়ারম্যান ঘাটসহ সব রুটে নৌচলাচল বন্ধ রয়েছে।

দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খান। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে সৃষ্ট বৃষ্টি ও বাতাসের প্রভাবে জেলার উপকূলীয় অঞ্চলের সব রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে সাগরে থাকা সব ধরনের মাছ ধরার ট্রলারসহ সব নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

Noakhali1

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় হাতিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা এমভি ফারহান ও এমভি তাফসির নামের দুটি লঞ্চ বৈরী আবহাওয়া, বৃষ্টি ও প্রচণ্ড বাতাসের কারণে ভোলার তজিম উদ্দিন ঘাটে অবস্থান করছে।

লঞ্চে থাকা মতিউর রহমান নামের এক যাত্রী জানান, আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় এমভি ফারহান লঞ্চটি তজিম উদ্দিন ঘাটে অবস্থান করছে। লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে আবহাওয়া ঠিক হলে হাতিয়া না গিয়ে পুনরায় ঢাকা ফিরে যাবে।

জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী রফিকুল ইসলাম জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রোববার ভোর থেকে আকাশ মেঘলা ছিল। শেষ বিকেলের দিকে উপকূলীয় এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টি শুরু হয় যা সোমবার ভোর থেকে মাঝারি বৃষ্টিতে পরিণত হয়েছে।

তিনি জানান, রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত জেলায় ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ভোর থেকে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতকরা ৯৭ ভাগ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে বলেও জানান রফিকুল ইসলাম।

ইকবাল হোসেন মজনু/আরএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]