বন্ধের দ্বিতীয় দিনেও রেকর্ড উপস্থিতি কুয়াকাটায়, ব্যবসা চাঙা

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
প্রকাশিত: ০৩:৫২ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১
টানা বন্ধের দ্বিতীয় দিনেও রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক ভিড় করেছেন সাগরকন্যা কুয়াকাটায়

টানা বন্ধের দ্বিতীয় দিনেও রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক ভিড় করেছেন সাগরকন্যা কুয়াকাটায়। এতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরাও। টানা তিনদিন বন্ধের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত, রাখাইন মার্কেট, শুঁটকি মার্কেট, সি-বিচ মার্কেটসহ পর্যটন পয়েন্টগুলোতে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

কুষ্টিয়া থেকে আসা হোসেন পাটোয়ারী জাগো নিউজকে বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) কুয়াকাটা এসেছি। এসেই অনেক ঘোরাঘুরি করলাম। আজ কেনাকাটা করছি। তাজা শুঁটকি, বার্মিজ আচারসহ পরিবারের জন্য অনেক কিছু কিনলাম।’

jagonews24

এদিকে ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরাও। তারা জানান, মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘ বন্ধের পর এই প্রথম এতসংখ্যক পর্যটক এসেছে কুয়াকাটায়। এজন্য তাদের বেচাকেনাও বেড়েছে।

আচার দোকানি মুবিব্বুল্লাহ বলেন, ‘করোনায় পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করেছি। তবে গত এক মাস ধরে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। আশা করছি, আগামী চার পাঁচ মাস এভাবে লোকজন আসতে থাকলে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবো।’

jagonews24

সূত্র জানায়, কুয়াকাটায় ছোট-বড় ১৫০টির বেশি হোটেল রয়েছে। চলতি বন্ধে বেশিরভাগ পর্যটক দুইদিনের জন্য হোটেল বুকিং দিয়েছেন। কিছু পর্যটক আজ দ্বিতীয় দিনে চলে গেলেও আগে যারা বুকিং দিয়েছেন রুমগুলোতে তারা উঠবেন।

পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও অপ্রীতিকার ঘটনা ঠেকাতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, থানা পুলিশ, পৌরসভা, গোয়েন্দা সংস্থাসহ বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

jagonews24

কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হাওলাদার জাগো নিউজকে বলেন, বিজয় দিবসে কুয়াকাটায় অনেক পর্যটক আসছেন। ছুটির দ্বিতীয় দিনেও অনেক পর্যটক এসেছেন।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল খালেক বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।