বরগুনায় ছেলের মরদেহ নিয়ে থানায় বাবা
ছেলের মরদেহ নিয়ে থানায় হাজির হন ফারুক নামে এক ব্যক্তি। তার দাবি, ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চান।
সোমবার (১০ জানুয়ারি) সকালে বরগুনা সদর থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের নির্দেশে দুপুরে মরদেহ দাফনের জন্য বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।
মৃত রাসেল বরগুনা সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের কলাতলা গ্রামের মো. ফারুকের ছেলে। তিনি ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। কামরাঙ্গীরচর এলাকায় মামা জালালের ভাড়া বাসায় স্ত্রী রুমি বেগমকে নিয়ে বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার কামরাঙ্গীরচরের ওই বাসায় রাসেলের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রিয়াজ কামরাঙ্গীরচর থানায় রাসেলের স্ত্রী ও কাইয়ুম নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগের জেরে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন। মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত দুজনকেই গ্রেফতার করে এবং রাসেলের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে রিয়াজের কাছে হস্তান্তর করে।
সোমবার ভোরে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রাসেলের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তার বাবা মরদেহ নিয়ে থানায় যান এবং হত্যার বিচারের দাবি জানান।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ছেলেকে সম্পত্তির জন্য খুন করেছে রিয়াজ। এখন পরকীয়ার অভিযোগ দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে পালিয়েছে সে। আমি এ ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই।’
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম তারিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘যেহেতু মরদেহের ময়নাতদন্ত আগেই হয়েছে তাই আর নতুন করে করা হয়নি। এছাড়া মামলাটি কামরাঙ্গীরচর থানায় তদন্তাধীন, তাই মরদেহ দাফনের জন্য পরিবারকে নিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এসজে/এএসএম