‘সমুদ্র রাখতে পরিষ্কার, দরকার শুধু ইচ্ছার’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ১২:৫২ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০২২

গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় পণ্যের সহজলভ্যতা দিতে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ আরএফএল নানা ধরনের প্লাস্টিক সামগ্রী উৎপাদন করে। তবে অনেকেই প্লাস্টিক পণ্যের সুষ্ঠু ব্যবহার জানেন না। ফলে যত্রতত্র ফেলা হয় ওয়েস্টিজ। এটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। মানুষের মাঝে এসব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা আরএফএল এর সামাজিক দায়বদ্ধতার মধ্যে পড়ে। সেই দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে আমরা বছরজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করি। এরই অংশ হিসেবে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে টেল প্লাস্টিকসের সৌজন্যে ‘বিচ ক্লিনিং’ কর্মসূচি পালন করা।

মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ‘টেল প্লাস্টিকস বিচ ক্লিনিং’ কর্মসূচির উদ্বোধনীতে আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল এসব কথা বলেন।

‘সমুদ্র রাখতে পরিষ্কার, দরকার শুধু ইচ্ছার’

তিনি বলেন, এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা। আমাদের প্রচারণা দেখে যদি সমুদ্র সৈকতে ময়লা আবর্জনা ফেলা কমে, তাতেই এ ‘বিচ ক্লিনিং’ কর্মসূচির সফলতা।

আগামীতে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতসহ দেশের বিভিন্ন নদী বন্দরে এ ধরনের কর্মসূচি পালনের ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

‘সমুদ্র রাখতে পরিষ্কার, দরকার শুধু ইচ্ছার’

‘সমুদ্র রাখতে পরিষ্কার, দরকার শুধু ইচ্ছার’ এই স্লোগানে ঢাকা রাউন্ড টেবিল ও কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের সহযোগিতায় সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে আয়োজিত ক্লিনিং প্রোগ্রামে আরএফএল গ্রুপের প্রায় পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা, স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও পর্যটকরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত সৈকতে পড়ে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করেন।

ক্লিনিংয়ে অংশ নেওয়া উই ক্যান কক্সবাজার প্লাটফর্মের সমন্বয়ক ওমর ফারুক জয় বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের চারণভূমিগুলোকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সচেতনতা সৃষ্টির বিকল্প নেই। আমরা আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদগুলোর গুরুত্ব নিয়ে সচেতন না। বিশ্বের দীর্ঘতম সৈকতের পরিচ্ছন্নতায় বহুজাতিক পণ্য উৎপাদন কোম্পানি আরএফএল এর ‘বিচ ক্লিনিং প্রোগ্রাম’ প্রশংসার দাবি রাখে।

‘সমুদ্র রাখতে পরিষ্কার, দরকার শুধু ইচ্ছার’

ক্লিনিং প্রোগ্রামে অতিথি হয়ে আসা ট্যুরিস্ট পুলিশের এএসপি মিজানুর রহমান বলেন, আমরা সকলেই কক্সবাজারসহ বিভিন্ন সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে যাই। কিন্তু আমাদের ফেলে আসা ময়লা-আবর্জনা সমুদ্র সৈকতগুলোর সৌন্দর্য্য যেমন নষ্ট করছে তেমনি আমাদের পরিবেশেরও ক্ষতি করছে। ‘বিচ ক্লিনিং প্রোগ্রাম’ ভ্রমণ পিপাসুদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের পর্যটন স্পটগুলোকে পরিচ্ছন্ন রাখতে আমাদের আরো সচেতন হওয়া দরকার।

বিচ ক্লিনিং প্রোগ্রামে টেল প্লাস্টিকসের নির্বাহী পরিচালক কামরুল হাসান ও হেড অফ মার্কেটিং ফাহিম হোসেন, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের জনসংযোগ বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার হুমায়ুন আহমেদ বিলাসসহ আরএফএল গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সায়ীদ আলমগীর/এফএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।