একজনকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেলো দুজনের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৯:০১ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২২
অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে বাসের ভেতর ঢুকে পড়ে

কক্সবাজারে বাসচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঈদগাঁওয়ের চান্দের ঘোনা সাতঘরিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-অটোরিকশার যাত্রী চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বপাড়ার মৃত আমির হামজার মেয়ে ছেনোয়ারা বেগম (৩৮) ও ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাককুমপাড়ার জাফর আলমের ছেলে অটোরিকশার চালক মুহাম্মদ জিসান (২২)।

jagonews24

আহতরা হলেন-আইনজীবীর সহকারী শফিকুর রহমান (৩০) ও তার বোন তসলিমা আকতার (৩২)। তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা নিহত ছেনোয়ারার ভাই-বোন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

প্রত্যক্ষদর্শী মিছবাহ উদ্দিন, সুরুত আলম ও জাহাঙ্গীর সম্রাট জানান, বিকেল ৪টার দিকে সাতঘরিয়াপাড়া এলাকায় এক প্রতিবন্ধী অন্ধ ব্যক্তি হঠাৎ রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে চট্টগ্রামমুখী পূরবী পরিবহনের একটি বাস রং সাইডে গিয়ে কক্সবাজারমুখী অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশা দুমড়ে-মুচড়ে বাসের ভেতর ঢুকে পড়ে। পরে গাড়ি দুটি পাশে খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কয়েক ঘণ্টা যানবাহন আটকা পড়ে।

jagonews24

নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় সেলিম উদ্দিন জানান, কক্সবাজার আদালতের আইনজীবী সহকারী শফিকুর রহমান তার বড় বোন ছেনোয়ারা ও তসলিমা আকতার এবং শিশুসন্তানকে নিয়ে রামুর এক ক্লাবে বিয়েতে যাচ্ছিলেন। মাঝপথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছেনোয়ারা মারা গেলেও মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শফিক, তসলিমা ও তার শিশুসন্তান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় শফিকুর রহমানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

রামু হাইওয়ে থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা এসআই মুজিবুর রহমান জানান, দুর্ঘটনা-কবলিত গাড়ি দুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]