বিজয়ীদের গেজেটে পরাজিত প্রার্থীর নাম!

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৬:২৯ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২২
প্রতীকী ছবি

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদে জয়ী হয়েছিলেন টিটু মিয়া। ফুটবল প্রতীকে তিনি পেয়েছিলেন ৬৫৭ ভোট। মোরগ প্রতীকে ১৯৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হন শাহিন মিয়া। অথচ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত তালিকায় জয়ী প্রার্থীর নাম নেই। গেজেটে চতুর্থ নম্বরে রয়েছে পরাজিত শাহিন মিয়ার নাম। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় ১০টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সেলবরষ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ মেম্বার পদে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটগ্রহণ হয় ভাটাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। নির্বাচনে ফুটবল প্রতীকে টিটু মিয়া ৬৫৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টিউবওয়েল প্রতীকে আবদুল মতিন পান ২৭৮ ভোট। অন্য দুই প্রার্থীর মধ্যে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক নিয়ে ইকবাল হোসেন ২৩৮ ভোট এবং মোরগ প্রতীকে শাহীন মিয়া পান ১৯৪ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন থেকে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশিত হয়। সেখানে বিজয়ীর নামের পরিবর্তে নির্বাচনে সবচেয়ে কম ভোট পেয়ে পরাজিত হওয়া শাহিন মিয়ার নাম প্রকাশ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভাটাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রুবেল মিয়া বলেন, সারাদিন ভোটগ্রহণ শেষে আমার শরীরটা খুব খারাপ লাগছিল। তাই তাড়াহুড়া করে ফলাফল শিট তৈরি করি। শিটে হয়তো ভুল করে শাহিন মিয়ার নাম ও তার প্রতীক লেখা হয়েছে। পরে তা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়ে দেই এবং ওই তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়। এমন ভুলের জন্য আমি সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুক্তার হোসেন বলেন, ভুলবশত নামটি গেজেটভুক্ত হয়েছে। গেজেটে বিজয়ী টিটু মিয়ার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

লিপসন আহমেদ/এসআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]