ফরিদপুরে রোগীকে রাস্তায় রেখে গেলেন হাসপাতালের আয়া

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০৫:৫৭ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
রোগী মোশারফ হোসেনকে রাস্তায় ফেলে যান হাসপাতালের আয়া। ছবি-জাগো নিউজ

ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা না দিয়ে রোগীকে রাস্তায় রেখে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই রোগীর নাম মোশারফ হোসেন। তার বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায়।

শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মোশারফ হোসেন দিনমজুরের কাজে ফরিদপুরে এসেছিলেন। ২৫ দিন আগে মধুখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। তাকে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। 

‘ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ সকালে হাসপাতালের এক আয়া ট্রলিতে করে নিয়ে এসে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে ফরিদপুর-বরিশাল রোডে ওই রোগীকে ফেলে দিয়ে যান।’

jagonews24

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

রোগী মোশারফ হোসেন বলেন, ‘আমি অনেক অনুনয়-বিনয় করলেও হাসপাতালের ডাক্তার আমাকে কোনো চিকিৎসাসেবা দেননি। আমাকে একটি ট্যাবলেটও দেননি। অসুস্থ অবস্থায় রোদের মধ্যে রাস্তায় ফেলে গেছেন।’

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি অন্য একটি বিষয়ে খুবই ব্যস্ত ছিলাম। ঘটনা সঠিক। থানা থেকে পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজ-খবর নিয়েছি। পরবর্তী সময়ে খোঁজ নিয়ে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করতে পারবো।’

jagonews24

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. সাইফুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি আজ বাহিরে ছিলাম। এ কারণে বিষয়টি জানা নেই। দ্রুত এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখবো।’

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. সিদ্দিকুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। তবে এটা হাসপাতাল পরিচালকের বিষয়। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।’

এন কে বি নয়ন/এসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।