জাগো নিউজের নোয়াখালী প্রতিনিধিকে হত্যার হুমকি

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:০৭ এএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২
জাগো নিউজের নোয়াখালী প্রতিনিধি ইকবাল হোসেন মজনু

দেশের শীর্ষস্থানীয় নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজে প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে নোয়াখালী প্রতিনিধি ইকবাল হোসেন মজনুকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালী আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদফতরে ওএসডি (অতিরিক্ত) ডা. ফজলে এলাহী খাঁন এ হুমকি দেন।

এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ওই ডাক্তারের হুমকির রেকর্ডসহ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি নং- ১৬২৪) করেছেন সাংবাদিক ইকবাল হোসেন মজনু। কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম মিজানুর রহমান জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

jagonews24

জানা গেছে, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে নোয়াখালী স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি ডা. ফজলে এলাহী খাঁনের বিরুদ্ধে। পরে গত ১ ফেব্রুয়ারি তাকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের উপসচিব (পার-২) জাকিয়া পারভীন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদফতরে ওএসডি (অতিরিক্ত) হিসেবে বদলি করা হয়।

নোয়াখালী আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুস সালাম চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করার পর গত ১ ফেব্রুয়ারি জাগো নিউজে ‘নোয়াখালী মেডিকেলের ডা. ফজলে এলাহী খানকে ওএসডি’) শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হয়।

jagonews24

ডা. ফজলে এলাহী খাঁন

ওই সংবাদের জের ধরে ২৫ দিন পর শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৪টায় ডা. ফজলে এলাহী খান তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে জাগো নিউজের নোয়াখালী প্রতিনিধির মোবাইলে ফোন করে কেন নিউজ করা হয়েছে জানতে চেয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকের দায়ের করা জিডির বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

এ ঘটনায় নোয়াখালীতে কর্মরত প্রিন্ট, অনলাইন ও টেলিভিশন সাংবাদিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে হুমকি দাতার শাস্তির দাবি করেছেন।

এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।