হাসপাতালের লিফটের নিচে মিললো নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ
যশোর পৌরসভায় একটি প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে নিখোঁজের দু’দিন পর ওই হাসপাতালেই মিললো মফিজুর রহমান শেখ (৬৫) নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ।
শনিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের মুজিব সড়কের পঙ্গু হাসপাতালের লিফটের নিচে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মফিজুর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পঙ্গু হাসপাতালের ম্যানেজারসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের বাসিন্দা ব্যবসায়ী মফিজুর রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে পৌর শহরের মুজিব সড়কের পঙ্গু হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তার ছেলে শেখ সোয়েব উদ্দীন যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি করেন। এই জিডির সূত্র ধরে ব্যবসায়ীর সন্ধানে শনিবার দুপুরে হাসপাতালে তল্লাশিকালে লিফটের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ধারণা করা হচ্ছে, মফিজুর রহমানকে হত্যার পর মরদেহ লিফটের তালা খুলে নিচে ফেলে দেওয়া হয়।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ওমর ফারুক। তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ পঙ্গু হাসপাতালের ম্যানেজার আতিয়ার রহমান, লিফটম্যান জাহিদ গাজী ও আব্দুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
এদিকে মরদেহ উদ্ধারের পর নিহত মফিজুর রহমানের শ্যালকের ছেলে শেখ সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘নিখোঁজের পর থেকেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। ফুপার সন্ধানে কোনো ধরনের সহযোগিতা করেনি। উল্টো বলেছে, নিখোঁজের একদিন আগে থেকে তাদের হাসপাতালের সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জড়িত।’
এ বিষয়ে পঙ্গু হাসপাতালের সত্ত্বাধিকারী ডা. আব্দুর রউফ সাংবাদিকদের বলেছেন, ওই ব্যক্তি কীভাবে মারা গেছেন তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। পুরো ঘটনাটি প্রশাসনের তদন্তাধীন। তদন্ত শেষ হলে সব কিছু জানা যাবে।
মিলন রহমান/এসজে/জেআইএম