ফরিদপুরে হাসপাতালে বেড সংকট, গাছতলায় ডায়রিয়া রোগী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০৫:৩১ পিএম, ২২ এপ্রিল ২০২২
ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ায় শয্যা সংকটে গাছতলায় চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা

ফরিদপুরে হঠাৎ ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী এসেছেন ৮৭ জন। এই ওয়ার্ডের মাত্র ১০ বেডের স্থানে শতাধিক রোগীর চাপে হাসপাতালের বাইরে ও গাছতলায় চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও নার্সদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত জেনারেল হাসপাতালে ১০৮ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি রয়েছেন। ওয়ার্ডে জায়গা না হওয়ায় এদের মধ্যে অনেকেই খোলা আকাশের নিচে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হঠাৎ করে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে।

jagonews24

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ঘনঘন বমি ও পায়খানা নিয়ে হাসপাতালে আসছেন রোগীরা। এসে বেড না পাওয়ায় হাসপাতালের মেঝে, বারান্দা এমনকী গাছতলায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

শয্যা সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স গোলাপী বেগম জাগো নিউজকে বলেন, হঠাৎ করে ডায়রিয়া রোগী বেড়ে যাওয়ায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা গাছতলায় থাকা রোগীদের ওয়ার্ডের ভেতরে নেওয়ার ব্যবস্থা করছি। জায়গা স্বল্পতার কারণে রোগীদের সমস্যা হচ্ছে।

jagonews24

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. তানজিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, হঠাৎ রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রোজায় ভাজা-পোড়া খেতে নিষেধ এবং ডায়রিয়া দেখা দিলে প্রাথমিক অবস্থায় বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন এই চিকিৎসক।

jagonews24

এ বিষয়ে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. সিদ্দিকুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, হঠাৎ রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে চাপ বেড়েছে। সমস্যা হচ্ছে বেড নিয়ে। স্যালাইনের একটু সংকট আছে, তাও পেয়ে যাবো। তবে সবমিলিয়ে এখনো পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।

এন কে বি নয়ন/এমআরআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।