সীমানাপ্রাচীর ভেঙে রাস্তার জায়গা দিলেন এলাকাবাসী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:৫৭ এএম, ২১ মে ২০২২
মৌলভীবাজারে সীমানাপ্রাচীর ভেঙে রাস্তার জায়গা দিলেন এলাকাবাসী

মৌলভীবাজার শহরের ১নং ওয়ার্ডের ফাটাবিল এলাকায় ছোট একটা গলিপথ দিয়ে রিকশাও স্বচ্ছন্দে চলতে পারে না। অনেকের আশঙ্কা ছিল বিপদে-আপদে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি ঢুকবে না। এর বাস্তব পরিণতিও দেখেন এলাকার মানুষ। বছর দুই আগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি ঢুকতে না পারায় একটি বাসার দোতলার সবকিছু সবার চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

শহরের আবাসিক এলাকায় ভবনে আগুন, সরু রাস্তায় যেতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার সচেতন মহলের টনক নড়ে। তারা যোগাযোগ করেন পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। তাৎক্ষণিক সাড়া দেয় পৌরসভা।

অগ্নিকাণ্ডের পর প্রায় দুই বছর ধরে সড়ক বড় করার চেষ্টা-তদবির এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। যাদের জায়গা ছাড়তে আপত্তি ছিল, তারাও আর বাধা হয়ে থাকেননি। প্রায় ৩০টি বাড়ির মালিক স্বেচ্ছায় সীমানাপ্রাচীর ভাঙাসহ খালি জায়গা ছেড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুর থেকে পৌর শহরের টিবি হাসপাতালের লিংক রোড বনানী এলাকায় পৌর কর্তৃপক্ষ শ্রমিক ও এক্সকাভেটর মেশিন নিয়ে দেওয়াল ভাঙার কাজ শুরু করে। আগামী দুই মাসের মধ্যে দেওয়াল ভেঙে সড়ক প্রশস্ত, ড্রেন নির্মাণ ও রাস্তা পাকাকরণ করা হবে।

ফাটাবিল এলাকার ব্যবসায়ী শওকত আহমদ জাগো নিউজকে বলেন, আমরা আতঙ্কে ছিলাম। ওই সরু পথ দিয়ে বিপদের সময় এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার ব্রিগেডের ঢোকার সুযোগ ছিল না। এলাকার স্বার্থে রাস্তার জায়গা ছেড়ে দেওয়ায় তাদের ধন্যবাদ জানাই।

মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান বলেন, আমরা দেওয়াল ভেঙে রাস্তা প্রশস্ত, ড্রেন নির্মাণ, সড়ক পাকাকরণের কাজ দুই মাসে সম্পন্ন করবো। এই পাড়ায় অনেকগুলো উঁচু ভবন রয়েছে, অথচ রাস্তা সরু। এলাকাবাসীর মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে, এক্সকাভেটর ও শ্রমিক দিয়ে দেওয়াল ভাঙা হয়েছে। ৭০০ মিটার দীর্ঘ রাস্তাটি ১৪ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে।

আব্দুল আজিজ/এমআরআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]