কুলিয়ারচরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত সুমন নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩০ মে) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুমন উপজেলার গাইলকাটা গ্রামের মো. এরশাদ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৮ মে কুলিয়ারচর মাদরাসা মার্কেটের একটি জুতার দোকানে রবিন নামের এক কিশোর জুতা কিনতে যায়। এ সময় দোকানের কর্মচারী মনিরের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়।
এ নিয়ে দুপক্ষের লোকজন ২৯ মে রাতে দেশীয় অস্ত্র দা, বল্লম, লাঠি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুলিয়ারচর বাজারে মহড়া দিয়ে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষ। এছাড়া সংঘর্ষের সময়ে ৮-১০টি দোকান ও ঢাকাগামী তৃষা বাস কাউন্টারে থাকা দু-কিনটি বাসের গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এতে দুই পুলিশ সদস্যসহ ১০ আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে সুমন মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জাগো নিউজকে বলেন, দুপক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত অবস্থায় সুমন মিয়া নামের একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
এসজে/এএসএম