পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় আসবে ৩৮ মণের ‘সম্রাট’

এন কে বি নয়ন এন কে বি নয়ন ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ২৯ জুন ২০২২

আসন্ন কোরবানির ঈদের জন্য ফরিদপুরে প্রস্তুত করা হয়েছে ৩৮ মণের একটি ষাঁড় গরু। ১১ ফুট লম্বা ও ছয় ফুট উচ্চতার এ গরুর নাম রাখা হয়েছে সম্রাট। জেলায় বিক্রির মতো যুতসই কোনো ক্রেতা মিলছে না। এজন্য সম্রাটকে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকার বাজারে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মালিক।

ফরিদপুরের মাইশা ডেইরি ফারমে বিশাল আকৃতির গরুটি লালন-পালন করা হয়। এ খামারে আরও ১০৬টি গরু আছে। ১০ লাখ টাকায় বিশাল আকৃতির গরুটি বিক্রি করতে চান খামার মালিক। ঢাকায় কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা পাওয়ার আশা করছেন তিনি।

jagonews24

খামারের শ্রমিকরা জানান, ডেইরি ফারমে মোট ১০৭টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সম্রাট। বড় গরু পালন অনেক কষ্টের কাজ। এজন্য খাবার তৈরি করা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখাসহ নানা কাজে ভোর থেকে ব্যস্ত থাকতে হয়।

মাইশা ডেইরি ফারমের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম সবুজ জাগো নিউজকে বলেন, খামারে ৪২ মাস আগে সম্রাটের জন্ম। সব মিলিয়ে এখন এর শরীরে মাংস রয়েছে ১৫০০ (৩৮ মণ) কেজির বেশি। প্রাকৃতিক ঘাস আর বিশেষ যত্ন নিয়েই বড় করে তোলা হয়েছে। সঙ্গে বিশেষ কিছু খাবার হিসেবে তাকে দেওয়া হয় আপেল, কমলা ও আঙুর। এছাড়া প্রতিদিনের খাবার হিসেবে তাজা ঘাস, খড়, গম, ভুসি ও খৈল খাওয়ানো হয়।

jagonews24

সবুজ আরও বলেন, বড় গরু পালন করা খুবই কষ্টসাধ্য। কারণ এখানে কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা মিলে না। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় আমাদের জন্য একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সম্রাটকে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকার কোরবানির পশুর হাটে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। অনলাইনেও বিক্রির জন্য তথ্য দেওয়া রয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা নুরুল আহসান জাগো নিউজকে বলেন, বছরের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্যের দাম একটু বেশি ছিল। তবে এখন আবার তা সহনীয় পর্যায়ে এসেছে। আমরা আশা করছি খামারিরা ভালো দাম পাবেন। ফরিদপুরের গরু দিয়েই আমাদের চাহিদা পূরণ করে বাইরে পাঠাতে পারবো।

মাইশা ডেইরি ফারমের মালিক রফিকুল ইসলাম সবুজের মতো তিনিও একইভাবে ফরিদপুরে বড় গরুর ক্রেতা নেই জানিয়ে বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় এসব বড় গরু বিক্রির পথ সুগম হয়েছে। জেলায় কোরবানির পশুর হাটে ৯টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম কাজ করবে।

এন কে বি নয়ন/এসজে/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]