মহাসড়কের দুই পাশে মরা গাছ, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
ঈশ্বরদী-পাবনা মহাসড়কের দুই পাশে শতাধিক গাছ মরে গেছে। ঝুঁকি নিয়ে মরা গাছের নিচ দিয়ে যানবাহন ও পথচারী চলাচল করছে। যে কোনো সময় মরা গাছ ভেঙে সড়কে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটনার আশঙ্কা করছেন পথচারীরা। গাছগুলো ৩-৪ বছর ধরে পর্যায়ক্রমে মারা গেছে বলে জানা গেছে। ঝড়-বৃষ্টিতে বেশিরভাগ মরা গাছের ডাল পালা ভেঙে গেছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪০ বছর আগে ঈশ্বরদী-পাবনা মহাসড়কের দুপাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। সেগুলো এখন বিশাল বৃক্ষে পরিণত হয়েছে।

সোমবার (২৫ জুলাই) সরেজমিন ঈশ্বরদী-পাবনা মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, সড়কের দুপাশে কড়ই, বট, পাকড়, শাল, মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির বেশকিছু গাছ মরে গেছে। কিছু গাছ পোকার আক্রমণে রোগাক্রান্ত হয়ে ডাল ও পাতা শুকিয়ে যাচ্ছে। ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনে, অরণকোলা, ঢুলটি, বহরপুর, দাশুড়িয়া মোড়, মুনসিদপুর, তেঁতুলতলা, ডিগ্রিপাড়া, কালিকাপুর, সাহাপুর, টেবুনিয়া, মালিগাছা, গাছপাড়া এলাকায় গাছ মরে সড়কের দিকে হেলে আছে। পাবনা-নাটোর মহাসড়কের ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া থেকে মুলাডুলি পর্যন্ত দুপাশে বেশ কয়েকটি মরা গাছ রয়েছে।
বহরপুর এলাকার ইসরাইল হোসেন বলেন, বহরপুর গ্রামেই সড়কের দুপাশে ১০-১২টি মরা গাছ রয়েছে। এগুলো নিয়ে আমরা সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকি। যে কোনো সময় গাছ ভেঙে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। গাছগুলো দ্রুত কেটে ফেলা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে দাশুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বকুল সরদার জাগো নিউজকে বলেন, ‘গতমাসে উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় মরা গাছের বিষয়টি উপস্থাপন করেছিলাম। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন ব্যবস্থা নেয় সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছি।’
উপজেলা বন কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন বলেন, এ গাছগুলো সড়ক ও জনপথ বিভাগের। তারা পদক্ষেপ না নিলে আমাদের কিছু করণীয় নেই। আমরা তাদের এ বিষয়ে কোনো কিছু বলতেও পারি না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস বলেন, এটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ দেখভাল করে। এ বিষয়ে তারা ব্যবস্থা নিতে পারেন।
জানতে চাইলে পাবনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) আবুল মনসুর আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, গাছগুলো কর্তনের জন্য চিহ্নিতকরণ কাজ শুরু হয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী গাছগুলো কর্তন করা হবে।
এসআর/এমএস