৩ দিন ধরে জোয়ারের পানিতে ভাসছে বরগুনার নিম্নাঞ্চল

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বরগুনা
প্রকাশিত: ০৪:০৮ পিএম, ১২ আগস্ট ২০২২

বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বরগুনার সবগুলো নদীর পানি। শুক্রবার (১২ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত পায়রা ও বিষখালীর পানি বিপৎসীমার ৩ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক মাহতাব হোসেন জানান, গত তিনদিন ধরে নদীতে জোয়ারের পানি বাড়ছে। এতে করে উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

জোয়ারের পানির চাপ বাড়ায় তলিয়ে গেছে বরগুনার বড়ইতলা-বাইনচটকি ফেরিঘাট। এতে সকাল থেকে ফেরিতে যানবাহন ওঠা বন্ধ হয়ে পরে। এ রুট হয়ে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় বরগুনার সাথে পাথরঘাটা, বামনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুরসহ খুলনার সঙ্গে। ফেরিতে উঠতে সাধারণ যাত্রীদের খেয়া পার হতেও দেখা গেছে। এতে সকাল থেকেই ফেরিঘাটে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন হাজারো মানুষ।

পাথরঘাটায় যাওয়ার জন্য আসা অটোচালক সুলতান জানান, বরগুনা থেকে বিভিন্ন মুদি সামগ্রী নিয়ে পাথরঘাটা যাওয়ার জন্য রওনা হই। ঘাট তলিয়ে থাকায় বড় চাকার যানবাহন ফেরিতে উঠতে পারলেও তিনি আটকে আছেন। মুদির সামগ্রী পাথরঘাটায় কখন পৌঁছাতে পারবেন শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।

jagonews24

এদিকে তিনদিনেও জোয়ারের পানির চাপ না কমায় চর ধুপুতি, বড়ইতলা-বাইনচটকি, কুমড়াখালী, বাদুরতলাসহ বিভিন্ন স্থানে প্লাবিত হয়ে বসতঘর, রাস্তাঘাটসহ সবকিছু। দিনের পর দিন একই অবস্থা চলতে থাকায় বিপাকে পড়েছেন মানুষ। ঘরে থাকা শুকনো খাবারও শেষের পথে।

বড়ইতাল ফেরি ঘাট সংলগ্ন ইউনুস শিকদার জাগো নিউজকে জানান, তিনদিন ধরে প্লাবিত হলেও জনপ্রতিনিধিরা খোঁজ নেয়নি তাদের। কোনো সহায়তাতো দূরে থাক এক প্যাকেট চিড়া বা মুড়ি নিয়েও কেই আসেননি।

এ বিষয়ে ঢলুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আজিজুল হক স্বপন জানান, জোয়ারে প্লাবিত হওয়া নিত্যদিনের বিষয় এসব এলাকার জন্য। তবে বর্তমানে পানির উচ্চতা বাড়ায় এ সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করছে। প্রায় সময়ই এমন ঘটনা লেগেই থাকেই। তবে এ সময় সহায়তার জন্য কোন বরাদ্দ পায় না তারা। তাই ইচ্ছে থাকলেও সহায়তা করতে পারেন না।

আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।