সুন্দরবনে ঝড়-বৃষ্টি, দুবলার চরের খালে আশ্রয় নিয়েছেন জেলেরা

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক মোংলা (বাগেরহাট)
প্রকাশিত: ০৪:৩৫ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০২২
সাগরসহ উপকূলীয় এলাকায় প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে

নিম্নচাপের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। শুক্রবার (১৯ আগস্ট) ভোর থেকে সুন্দরবনে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি বইছে। তাই মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা বনবিভাগের দুবলার চরের ভেদাখালী খালে আশ্রয় নিয়েছেন।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিলীপ মজুমদার জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রাত থেকেই দুবলার চরে প্রচণ্ড ঝড় হচ্ছে। একই সঙ্গে বৃষ্টিও হতে থাক। কিন্তু শুক্রবার ভোর থেকে ঝড়-বৃষ্টি ক্রমেই বাড়ছে।

বন কর্মকর্তা আরও বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা দুবলার চরের খালে আশ্রয় নিয়েছেন। চরের ভেদাখালী খালে ৫৪টি ট্রলার নিরাপদে রয়েছে।

মোংলা আবহাওয়া অফিস ইনচার্জ অমরেশ চন্দ্র ঢালী জাগো নিউজকে বলেন, লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। তাই শুক্রবারও মোংলা সমুদ্র বন্দর, সাগর-সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। আরও দু-তিন দিন বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করবে।

এদিকে বৈরী আবহাওয়ায় মোংলা বন্দরে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য ওঠানামা ও পরিবহনের কাজ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

মোংলা বন্দর বার্থ শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ জাহিদ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, বৃষ্টি হলে জাহাজের পণ্যের সুরক্ষায় কাজ বন্ধ রাখা হয়। জাহাজের হ্যাচ (ওপরের ঢাকনা) খোলা থাকলে বৃষ্টিতে মালামালের ক্ষয়ক্ষতিসহ জাহাজের অভ্যন্তরে পানি জমে। তাই বৃষ্টির সময় কাজ বন্ধ থাকছে, কমলে আবার শুরু হচ্ছে, এভাবেই কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, কাজ বন্ধ রাখার কোনো নির্দেশনা বন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে এখনো দেয়নি। কারণ তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেতে বন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকে না, তবে বিঘ্নিত হয়।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) আ. ওয়াদুদ তরফদার জাগো নিউজকে বলেন, আমরা আবহাওয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি, বন্দরের কাজ কর্মও চলছে। আবহাওয়ার গতিবিধি বুঝে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসজে/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।