বিক্রির জন্য পাখি আটকে কারাগারে বাবা, এবার গেলেন দুই ছেলে
ফেনীতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে অবৈধভাবে বিক্রির জন্য আটক রাখা ৩৫০টি বন্যপাখি উদ্ধার করেছে বনবিভাগ। এ সময় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার পাখিগুলো স্থানীয় কাজিরবাগ ইকোপার্কে অবমুক্ত করা হয়েছে।
রোববার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এসব পাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন খুলনার সোনাকান্দা থানার আতাহার আলী সিকদার ছেলে মো. আজাহার আলী শিকদার (৩০) ও মো. রাসেল শিকদার (২৮)। তারা ফেনী পৌরসভার চাড়িপুর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের দুলাল মিয়ার কলোনিতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।

সামাজিক বন বিভাগের ফেনী সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র ভৌমিক জানায়, ফেনী পৌর এলাকার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের চাড়িপুর এলাকার দুলাল মিয়ার কলোনির একটি ঘরে বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু পাখি অবৈধভাবে কয়েকটি খাঁচায় আটক রাখা ছিল। খবর পেয়ে ফেনী জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা কুলসুম কলি ও সুবল চাকমার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন প্রজাতির ৩৫০টি পাখি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার পাখির মধ্যে ২৮০টি চন্দন টিয়া, ১৩টি মুনিয়া, ৫০টি শালিক ও সাতটি দেশি টিয়া পাখি রয়েছে।
এ সময় বন্যপাখি অবৈধভাবে নিজের হেফাজতে রাখার অপরাধে আলী শিকদার ও রাসেল শিকদার নামের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। গ্রেফতার আসামিদের ফেনীর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দুপুর ২টার দিকে উদ্ধার করা পাখিগুলো ফেনী সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইকোপার্কে অবমুক্ত করা হয়।

এ সময় ফেনী জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা কুলসুম কলি ও সুবল চাকমা, বন বিভাগের ফেনী সদর উপজেলার রেঞ্জ কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র ভৌমিক উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, গ্রেফতার আলী শিকদার ও রাসেল শিকদারের বাবা আতাহার আলী সিকদার একই অপরাধে গ্রেফতার হয়ে ফেনী কারাগারে রয়েছেন।
সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা কুলসুম কলি এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এসআর