সোনাগাজীতে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে মামলা, আসামি ১০০
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে এ মামলায় সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন সেন্টু, উপজেলা যুবদল সভাপতি খোরশেদ আলমসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ হোসেন মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, সরকারি কাজে এবং যানচলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সোমবার গভীর রাতে মামলা হয়। ঘটনাস্থল থেকে আটক বিএনপির পাঁচ কর্মীকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এদিকে, পুলিশের ওপর হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আমরা সোমবার বিকেলে শহরের জিরো পয়েন্টে কর্মসূচির আয়োজন করি। কিন্তু সেখানে সভা শুরু করে উপজেলা আওয়ামী লীগ। পরে ভৈরব রাস্তার মাথায় সমাবেশ শুরু করি আমরা। সমাবেশ শুরুর কিছুক্ষণ পর পুলিশ সমাবেশের পেছনের দিকে লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে সংঘর্ষ বাঁধে। আমাদের পাঁচ নেতাকর্মী আহত হন।

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলা চালিয়ে এখন উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে পুলিশ। অথচ আওয়ামী লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
এ বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার ওসি খালেদ হোসেন বলেন, টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। সেইসঙ্গে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন তারা। সড়ক থেকে সরে যেতে বললে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালান। পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাশকুর রহমান, থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম দোলনসহ পাঁচ পুলিশ আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪০ রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।
এমআরআর/এমএস